Dhaka , Saturday, 4 February 2023

বাঁশখালীতে নুরুন্নবী হত্যা কান্ডে সহযোগিতা কারী ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 05:06:56 am, Friday, 29 May 2020
  • 475 বার

বাঁশখালী প্রতিনিধি:

পুইছড়িতে নুরুন্নবী হত্যাকান্ডে হাসিনা বেগমের বড় বোন কমরু বেগম ১২লাখ টাকা নিয়ে উধাও!! ওনাকে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করুন।

চলতি বছরের ২৯শে মার্চ২০২০, বাঁশখালী উপজেলার পুইছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব পুইছড়ি গ্রামের ০৪নং ওয়ার্ডের ফরেস্ট অফিসের পাশ্ববর্তী নুনাছড়ি স্থানে নুরুন্নবী (৫০), প্রধান খুনি নুর মোহাম্মদ এবং হাসিনা বেগমের পরকীয়ার জের ধরে ছুরি আঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করে ডাকাডদল। হত্যার পরেরদিন নুরুন্নবীর ছেলে সোহেল রানা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদের মধ্যে প্রধান খুনি নুর হোসেনসহ সহযোগী ৪জনকে আটক করে বাঁশখালী থানা পুলিশ। সকল সহযোগী খুনিদের আটক প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, নুরুন্নবী পেশাগত মেশিন মেকানিক। পরিবারের ৭ভাইবোন মিলে সুখের সংসার। জায়গা বিক্রি করে ৮লক্ষ টাকা এবং নিজের সঞ্চয় টাকা ৪লক্ষ টাকা মোট ১২লক্ষ টাকা বাড়ির আলমারিতে রক্ষিত ছিলো।

জানাগেছে, নুরুন্নবী হত্যাকান্ডের খুনি হাসিনা বেগমের বড় বোন কমরু বেগম টাকা গুলো নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়।

কমরু বেগমকে ধরিয়ে দিতে পারিবারিক ভাবে প্রশাসনিক এবং সচেতন সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। নুরুন্নবীর পরিবারের পক্ষ থেকে কমরু বেগমকে ধরিয়ে দিতে পুরুষ্কার ঘোষণা করেন নুরুন্নবীর সুযোগ্য পুত্র, বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সোহেল রানা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বাঁশখালীতে নুরুন্নবী হত্যা কান্ডে সহযোগিতা কারী ১২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

আপডেট টাইম : 05:06:56 am, Friday, 29 May 2020

বাঁশখালী প্রতিনিধি:

পুইছড়িতে নুরুন্নবী হত্যাকান্ডে হাসিনা বেগমের বড় বোন কমরু বেগম ১২লাখ টাকা নিয়ে উধাও!! ওনাকে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করুন।

চলতি বছরের ২৯শে মার্চ২০২০, বাঁশখালী উপজেলার পুইছড়ি ইউনিয়নের পূর্ব পুইছড়ি গ্রামের ০৪নং ওয়ার্ডের ফরেস্ট অফিসের পাশ্ববর্তী নুনাছড়ি স্থানে নুরুন্নবী (৫০), প্রধান খুনি নুর মোহাম্মদ এবং হাসিনা বেগমের পরকীয়ার জের ধরে ছুরি আঘাতে নৃশংসভাবে হত্যা করে ডাকাডদল। হত্যার পরেরদিন নুরুন্নবীর ছেলে সোহেল রানা বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদের মধ্যে প্রধান খুনি নুর হোসেনসহ সহযোগী ৪জনকে আটক করে বাঁশখালী থানা পুলিশ। সকল সহযোগী খুনিদের আটক প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, নুরুন্নবী পেশাগত মেশিন মেকানিক। পরিবারের ৭ভাইবোন মিলে সুখের সংসার। জায়গা বিক্রি করে ৮লক্ষ টাকা এবং নিজের সঞ্চয় টাকা ৪লক্ষ টাকা মোট ১২লক্ষ টাকা বাড়ির আলমারিতে রক্ষিত ছিলো।

জানাগেছে, নুরুন্নবী হত্যাকান্ডের খুনি হাসিনা বেগমের বড় বোন কমরু বেগম টাকা গুলো নিয়ে উধাও হয়েছে বলে জানা যায়।

কমরু বেগমকে ধরিয়ে দিতে পারিবারিক ভাবে প্রশাসনিক এবং সচেতন সর্বমহলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। নুরুন্নবীর পরিবারের পক্ষ থেকে কমরু বেগমকে ধরিয়ে দিতে পুরুষ্কার ঘোষণা করেন নুরুন্নবীর সুযোগ্য পুত্র, বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সোহেল রানা