Dhaka , Saturday, 13 April 2024

মৃত্যু বেড়ে ২৮ হাজার, ১২৯ ঘণ্টা পর তুরস্কে পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 08:31:07 am, Sunday, 12 February 2023
  • 34 বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে চাপাপড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে। তবু স্বজনদের ফিরে পেতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, শ্রান্তি-ক্লান্তি নিয়ে অনেকে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষা করছেন।

গত সোমবার ভোরে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে বেশি বিপর্যস্ত তুরস্কে মারা গেছেন ২৪ হাজার ৬১৭ জন। আর সিরিয়ায় ৩ হাজার ৫৭৫ জন।

এদিকে তুরস্কের উদ্ধারকর্মীরা ভূমিকম্পের ১২৯ ঘণ্টা পর পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগ শহর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে আনার পর উদ্ধারকর্মীরা ‘সৃষ্টিকর্তা মহান’ বলে আনন্দ প্রকাশ করেন।

উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রথমে মা হাভভা ও মেয়ে ফাতমাগুল আসলানকে উদ্ধার করেন। এরপর বাবা হাসান আসলামকে খুজে পান। এ সময় তিনি মেয়ে জায়নেপ ও ছেলে সালতিক বুগরাকে প্রথমে উদ্ধার করতে অনুরোধ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

মৃত্যু বেড়ে ২৮ হাজার, ১২৯ ঘণ্টা পর তুরস্কে পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট টাইম : 08:31:07 am, Sunday, 12 February 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে চাপাপড়া ব্যক্তিদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসছে। তবু স্বজনদের ফিরে পেতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, শ্রান্তি-ক্লান্তি নিয়ে অনেকে ধ্বংসস্তূপের পাশে অপেক্ষা করছেন।

গত সোমবার ভোরে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ২৮ হাজার ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে বেশি বিপর্যস্ত তুরস্কে মারা গেছেন ২৪ হাজার ৬১৭ জন। আর সিরিয়ায় ৩ হাজার ৫৭৫ জন।

এদিকে তুরস্কের উদ্ধারকর্মীরা ভূমিকম্পের ১২৯ ঘণ্টা পর পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করেছেন। গাজিয়ানতেপ প্রদেশের নুরদাগ শহর থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করে আনার পর উদ্ধারকর্মীরা ‘সৃষ্টিকর্তা মহান’ বলে আনন্দ প্রকাশ করেন।

উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রথমে মা হাভভা ও মেয়ে ফাতমাগুল আসলানকে উদ্ধার করেন। এরপর বাবা হাসান আসলামকে খুজে পান। এ সময় তিনি মেয়ে জায়নেপ ও ছেলে সালতিক বুগরাকে প্রথমে উদ্ধার করতে অনুরোধ করেন।