Dhaka , Monday, 17 June 2024

ইমান ও নেক আমল মূল্যবান সম্পদ

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 08:17:03 am, Thursday, 20 April 2023
  • 47 বার

ইসলাম ডেস্ক: মুসলমানদের কাছে ইমান ও নেক আমল অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। যিনি এ দুটির ওপর অটল-অবিচল থেকে পরজগতে যেতে পেরেছেন তিনি ইহ-পরকালে সফল। পবিত্র কোরআনের বাণী দ্বারা তা-ই বোঝা যায়।

ইরশাদ হচ্ছে- ‘যারা অদৃশ্যের বিষয়গুলোতে ইমান রাখে, সালাত আদায় করে, এবং তাদের আমি যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে (আল্লাহর সন্তুষ্ট স্থানে ব্যয় করে এবং যারা ইমান রাখে আপনার প্রতি যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তাতে এবং আপনার পূর্বে যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তাতেও এবং তারা আখিরাত সম্পর্কে পরিপূর্ণ বিশ্বাসী। এরাই এমন লোক যারা তাঁদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে সঠিক পথের ওপর আছে এবং এরাই এমন লোক যারা সফলতা লাভকারী।’ (সুরাতুল বাকারা : ৩-৫)।

অন্য আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা অর্জন করেছে মুমিনগণ। যারা তাদের নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত। যারা অহেতুক বিষয় থেকে বিরত থাকে। যারা জাকাত সম্পাদনকারী। যারা নিজ লজ্জাস্থান সংরক্ষণকারী।’ সুরা আল-মুমিনুন : ১-৫)

গত রাত ছিল ২৭তম রাত। আল্লাহর তৌফিকে সমগ্র মুমিন মুসলিমরা সাধ্য অনুযায়ী ইবাদতের মাধ্যমে কাটিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। ইবাদত করতে পারা আল্লাহ পাকের অনেক বড় নেয়ামত। আল্লাহর শুকরিয়া বেশি করে আদায় করা উচিত। বান্দা আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে তিনি নেয়ামত বাড়িয়ে দেন। গত রাতের ইবাদত নিশ্চিতভাবে আল্লাহর তৌফিকে হয়েছে। শুকরিয়া বেশি করে আদায় করলে তিনি বেশি বেশি ইবাদত ও নেক কাজ করার তৌফিক দান করবেন ইনশা আল্লাহ। একজন মুমিনের কাছে আল্লাহর ইবাদত অনেক বড় সম্পদ। ইবাদতের এই ধারা মৃত্যু পর্যন্ত ধরে রাখার মধ্যেই কামিয়াবি।

হজরত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বলতেন ‘তাআল্লামনাল ইমান ছুম্মা তাআল্লামনাল কোরআন’। আমরা আগে ইমান শিখেছি এরপর কোরআন শিখেছি। তাঁরা যথাযথভাবে ওই কথার ওপর আমল করেছেন। শত পার্সেন্ট তা বাস্তবায়ন করেছেন। তাই তো তাঁরা আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

সুরাতুল আসরে আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘সময়ের কসম! নিশ্চয়ই সব মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। শুধু তারা ব্যতীত; যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে’। (সুরা আসর : ১-২)।

মনে রাখা ভালো। যে কোনো আমল শুরু করা সহজ। কিন্তু এর ওপর অটল থাকা কঠিন। তবে প্রকৃত ইমানদারের কাছে তা অতি সহজ বিষয়। যেমন- আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা ধৈর্যের সঙ্গে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাজের মাধ্যমে, অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন কিন্তু সে সব বিনয়ী লোকদের পক্ষে তা সম্ভব’ (সুরাতুল বাকারা : ৪৫)।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

জনপ্রিয় সংবাদ

ইমান ও নেক আমল মূল্যবান সম্পদ

আপডেট টাইম : 08:17:03 am, Thursday, 20 April 2023

ইসলাম ডেস্ক: মুসলমানদের কাছে ইমান ও নেক আমল অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ। যিনি এ দুটির ওপর অটল-অবিচল থেকে পরজগতে যেতে পেরেছেন তিনি ইহ-পরকালে সফল। পবিত্র কোরআনের বাণী দ্বারা তা-ই বোঝা যায়।

ইরশাদ হচ্ছে- ‘যারা অদৃশ্যের বিষয়গুলোতে ইমান রাখে, সালাত আদায় করে, এবং তাদের আমি যে রিজিক দিয়েছি তা থেকে (আল্লাহর সন্তুষ্ট স্থানে ব্যয় করে এবং যারা ইমান রাখে আপনার প্রতি যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তাতে এবং আপনার পূর্বে যা কিছু অবতীর্ণ হয়েছে তাতেও এবং তারা আখিরাত সম্পর্কে পরিপূর্ণ বিশ্বাসী। এরাই এমন লোক যারা তাঁদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে সঠিক পথের ওপর আছে এবং এরাই এমন লোক যারা সফলতা লাভকারী।’ (সুরাতুল বাকারা : ৩-৫)।

অন্য আয়াতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই সফলতা অর্জন করেছে মুমিনগণ। যারা তাদের নামাজে আন্তরিকভাবে বিনীত। যারা অহেতুক বিষয় থেকে বিরত থাকে। যারা জাকাত সম্পাদনকারী। যারা নিজ লজ্জাস্থান সংরক্ষণকারী।’ সুরা আল-মুমিনুন : ১-৫)

গত রাত ছিল ২৭তম রাত। আল্লাহর তৌফিকে সমগ্র মুমিন মুসলিমরা সাধ্য অনুযায়ী ইবাদতের মাধ্যমে কাটিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। ইবাদত করতে পারা আল্লাহ পাকের অনেক বড় নেয়ামত। আল্লাহর শুকরিয়া বেশি করে আদায় করা উচিত। বান্দা আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করলে তিনি নেয়ামত বাড়িয়ে দেন। গত রাতের ইবাদত নিশ্চিতভাবে আল্লাহর তৌফিকে হয়েছে। শুকরিয়া বেশি করে আদায় করলে তিনি বেশি বেশি ইবাদত ও নেক কাজ করার তৌফিক দান করবেন ইনশা আল্লাহ। একজন মুমিনের কাছে আল্লাহর ইবাদত অনেক বড় সম্পদ। ইবাদতের এই ধারা মৃত্যু পর্যন্ত ধরে রাখার মধ্যেই কামিয়াবি।

হজরত সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বলতেন ‘তাআল্লামনাল ইমান ছুম্মা তাআল্লামনাল কোরআন’। আমরা আগে ইমান শিখেছি এরপর কোরআন শিখেছি। তাঁরা যথাযথভাবে ওই কথার ওপর আমল করেছেন। শত পার্সেন্ট তা বাস্তবায়ন করেছেন। তাই তো তাঁরা আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ।

সুরাতুল আসরে আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেছেন, ‘সময়ের কসম! নিশ্চয়ই সব মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। শুধু তারা ব্যতীত; যারা ইমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে’। (সুরা আসর : ১-২)।

মনে রাখা ভালো। যে কোনো আমল শুরু করা সহজ। কিন্তু এর ওপর অটল থাকা কঠিন। তবে প্রকৃত ইমানদারের কাছে তা অতি সহজ বিষয়। যেমন- আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা ধৈর্যের সঙ্গে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাজের মাধ্যমে, অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন কিন্তু সে সব বিনয়ী লোকদের পক্ষে তা সম্ভব’ (সুরাতুল বাকারা : ৪৫)।