Dhaka , Tuesday, 23 April 2024

কুয়েতে বাংলাদেশিদের ঈদুল ফিতর উদযাপন

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 11:22:35 am, Friday, 21 April 2023
  • 43 বার

প্রবাস ডেস্ক: দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর কুয়েতে উদযাপিত হলো মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৫ টা ৩১ মিনিটে কুয়েতের সব মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে একযোগে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়।

স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসীরাও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে সাজসজ্জা নিয়ে ঈদগাহে রওয়ানা দেন। এবার কুয়েতে ২১টি মসজিদে বাংলা খুতবা প্রদান করেন বাংলাদেশি খতিবগণ। বাংলাদেশ অধ্যুষিত হাসাবিয়া বড় মসজিদে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

অন্যদিকে কুয়েতের বিলাল বিন রবাহ মসজিদ ও তার বাহিরের অবস্থান ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ। যেখানে কুয়েতের শেখ পরিবার নামাজ আদায় করেন।

পরিবার ছাড়া প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ নেই বললেই চলে। নামাজ শেষে বাসায় এসে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘুম দেওয়া ছাড়া কিছুই থাকে না। তারপরও কেউ কিছুটা আনন্দ নিতে বিকেলে বেরিয়ে পড়ে সাগরপাড়ে ঘোরার জন্য। অনেকের আবার ডিউটি থাকায় সেটিও সম্ভব হয়ে ওঠে না। বন্ধুরাই এখানে আপনজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

কুয়েতে বাংলাদেশিদের ঈদুল ফিতর উদযাপন

আপডেট টাইম : 11:22:35 am, Friday, 21 April 2023

প্রবাস ডেস্ক: দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর কুয়েতে উদযাপিত হলো মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) ভোর ৫ টা ৩১ মিনিটে কুয়েতের সব মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে একযোগে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়।

স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি প্রবাসীরাও খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে সাজসজ্জা নিয়ে ঈদগাহে রওয়ানা দেন। এবার কুয়েতে ২১টি মসজিদে বাংলা খুতবা প্রদান করেন বাংলাদেশি খতিবগণ। বাংলাদেশ অধ্যুষিত হাসাবিয়া বড় মসজিদে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি ঈদের নামাজে অংশ নেন। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

অন্যদিকে কুয়েতের বিলাল বিন রবাহ মসজিদ ও তার বাহিরের অবস্থান ছিল কানায় কানায় পরিপূর্ণ। যেখানে কুয়েতের শেখ পরিবার নামাজ আদায় করেন।

পরিবার ছাড়া প্রবাসীদের ঈদ আনন্দ নেই বললেই চলে। নামাজ শেষে বাসায় এসে পরিবারের সঙ্গে কথা বলে ঘুম দেওয়া ছাড়া কিছুই থাকে না। তারপরও কেউ কিছুটা আনন্দ নিতে বিকেলে বেরিয়ে পড়ে সাগরপাড়ে ঘোরার জন্য। অনেকের আবার ডিউটি থাকায় সেটিও সম্ভব হয়ে ওঠে না। বন্ধুরাই এখানে আপনজন।