Dhaka , Friday, 24 May 2024

প্রিগোজিনকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 08:19:56 am, Monday, 26 June 2023
  • 39 বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভাড়াটে সেনাদের গ্রুপ ওয়াগনারের সদস্যদের আত্মসমর্পণ করলে সাধারণ ক্ষমতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একইসময় গ্রুপের প্রধান ইভজেনি প্রিগোজিনকে হত্যার জন্য মস্কোর নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

ওয়াগনার গ্রুপ রাশিয়ার অন্যতম প্রধান বেসরকারি সামরিক কোম্পানি। ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চল দখলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এই গোষ্ঠীটির। শুক্রবার রাতে ওয়াগনার নেতা প্রিগোজিন রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা দেন। পরে তারা রস্তোভ-অন-দনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার সদরদপ্তর দখলে নেয়। এরপর তারা ‘বিচারের দাবিতে’ মস্কোর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। রাজধানী থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় বিদ্রোহ থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন প্রিগোজিন।

তিন তার নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রিগোজিনকে ‘নির্মূল’ করার এবং মস্কোতে গ্রুপটির সাথে সংঘর্ষ এড়ানোর আশায় ওয়াগনার যোদ্ধাদের সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তন গেরাশচেঙ্কোও শনিবার টুইটারে লিখেছেন,‘পুতিন প্রিগোজিনকে হত্যা করতে চান এবং এমনকি ভাড়াটে দলটির প্রধানকে ত্যাগকারী ওয়াগনার পিএমসির সব যোদ্ধাকে সাধারণ ক্ষমা করতে প্রস্তুত।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

প্রিগোজিনকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন পুতিন

আপডেট টাইম : 08:19:56 am, Monday, 26 June 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভাড়াটে সেনাদের গ্রুপ ওয়াগনারের সদস্যদের আত্মসমর্পণ করলে সাধারণ ক্ষমতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একইসময় গ্রুপের প্রধান ইভজেনি প্রিগোজিনকে হত্যার জন্য মস্কোর নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

ওয়াগনার গ্রুপ রাশিয়ার অন্যতম প্রধান বেসরকারি সামরিক কোম্পানি। ইউক্রেনের কয়েকটি অঞ্চল দখলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে এই গোষ্ঠীটির। শুক্রবার রাতে ওয়াগনার নেতা প্রিগোজিন রাশিয়ার সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা দেন। পরে তারা রস্তোভ-অন-দনে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলার সদরদপ্তর দখলে নেয়। এরপর তারা ‘বিচারের দাবিতে’ মস্কোর দিকে অগ্রসর হতে থাকে। রাজধানী থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কোর মধ্যস্থতায় বিদ্রোহ থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন প্রিগোজিন।

তিন তার নিরাপত্তা বাহিনীকে প্রিগোজিনকে ‘নির্মূল’ করার এবং মস্কোতে গ্রুপটির সাথে সংঘর্ষ এড়ানোর আশায় ওয়াগনার যোদ্ধাদের সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।

ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তন গেরাশচেঙ্কোও শনিবার টুইটারে লিখেছেন,‘পুতিন প্রিগোজিনকে হত্যা করতে চান এবং এমনকি ভাড়াটে দলটির প্রধানকে ত্যাগকারী ওয়াগনার পিএমসির সব যোদ্ধাকে সাধারণ ক্ষমা করতে প্রস্তুত।’