Dhaka , Friday, 24 May 2024

স্পেনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 08:19:37 am, Monday, 10 July 2023
  • 32 বার

প্রবাস ডেস্ক: স্পেনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস মিলনায়তনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী।

দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ-এ উত্তরণের দৃপ্ত অভিযাত্রায় ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আন্তর্জাতিক মানদন্ড বিবেচনায় নিয়ে ও নাগরিকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশেই ই-পাসপোর্ট চালু হয়।

ই-পাসপোর্টকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নিরাপদ ভ্রমণ দলিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ই-গেইট ব্যবহার করে একজন ই-পাসপোর্টধারী অনায়াসে এবং দ্রুততার সাথে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ‘ই-পাসপোর্ট যাতে প্রবাসীরাও দ্রুত পেতে পারেন, সেজন্য ইতিমধ্যে স্পেনসহ বিদেশস্থ ২৬টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদেশস্থ আরও ৫৪টি মিশনে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ বলেন, স্পেনে প্রায় ৬০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন এবং দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। ই-পাসপোর্ট সেবা সংযোজন নিঃসন্দেহে এখানকার প্রবাসীদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ দূতাবাস প্রবাসীদের যাবতীয় সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি স্পেনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের উপ প্রকল্প পরিচালক লেফল্যানেন্ট কর্ণেল হাদি, স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) দ্বীন মোহাম্মদ ইমাদুল হক, কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল) রেদোয়ান আহমেদসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে স্পেনে ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। হারিয়ে যাওয়া ই পাসপোর্টের কারণে নানা ভোগান্তি ও বিড়ম্বনা থেকে দ্রুত মুক্তি পাবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন।

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আগত ভুক্তভোগী আক্তারুজ্জামান বলেন, দীর্ঘদিন হয় স্পেনে এসেছি। ই-পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলায় সিটি কর্পোরেশনে ঠিকানা অন্তর্ভুক্তি করতে পারছি না। প্রয়োজনীয় সুযোগ প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়ায় অনেকটা স্বস্থি বোধ করছি।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেন এর সভাপতি একরামুজ্জামান কীরন বলেন, আজ সত্যিই আমি আনন্দিত। বহু প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় অনিয়মিত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি স্পেনে বৈধতা পাওয়ার সুযোগের প্রাথমিক উপকরণ হাতে পাবেন।

মাদ্রিদের মানবাধিকার সংগঠন ‘ভালিয়ান্তে বাংলা’র সভাপতি মো. ফজলে এলাহি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকেই ই-পাসপোর্টের দাবি নিয়ে দূতাবাসে এসেছি। খুব খুশি লাগছে, আমাদের সকলের দাবি আশার আলো দেখেছে।

চাঁদপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ই-পাসপোর্টের অভাবে যারা স্পেনে ঠিকানা ব্যবহার করতে পারছিলেন না, তারা এখন সে ভোগান্তি থেকে রেহাই পাচ্ছেন। উন্নত দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এখন চলতে পারবেন।

সংবাদকর্মী ফখরুদ্দিন রাজী বলেন, ই-পাসপোর্টের ১০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদের সুবিধা আমরা পাবো। প্রবাসীরা বিভিন্ন এয়ারপোর্টে দ্রুততার সাথে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। ভোগান্তি অনেক কমবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পিয়াস পাটোয়ারি বলেন, আজ আমাদের আনন্দের একটা উপলক্ষ- ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন। বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাই।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিদেশস্থ ২৫টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৬তম মিশন হিসেবে স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

স্পেনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন

আপডেট টাইম : 08:19:37 am, Monday, 10 July 2023

প্রবাস ডেস্ক: স্পেনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস মিলনায়তনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী।

দূতাবাসের কাউন্সেলর (শ্রম) মুতাসিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ-এ উত্তরণের দৃপ্ত অভিযাত্রায় ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আন্তর্জাতিক মানদন্ড বিবেচনায় নিয়ে ও নাগরিকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করেন। দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশেই ই-পাসপোর্ট চালু হয়।

ই-পাসপোর্টকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নিরাপদ ভ্রমণ দলিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ই-গেইট ব্যবহার করে একজন ই-পাসপোর্টধারী অনায়াসে এবং দ্রুততার সাথে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে ‘ই-পাসপোর্ট যাতে প্রবাসীরাও দ্রুত পেতে পারেন, সেজন্য ইতিমধ্যে স্পেনসহ বিদেশস্থ ২৬টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদেশস্থ আরও ৫৪টি মিশনে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করা হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী স্পেন প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করেন।

সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ বলেন, স্পেনে প্রায় ৬০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করছেন এবং দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। ই-পাসপোর্ট সেবা সংযোজন নিঃসন্দেহে এখানকার প্রবাসীদের জন্য সুখবর। বাংলাদেশ দূতাবাস প্রবাসীদের যাবতীয় সেবা প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। তিনি স্পেনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টের উপ প্রকল্প পরিচালক লেফল্যানেন্ট কর্ণেল হাদি, স্পেনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) দ্বীন মোহাম্মদ ইমাদুল হক, কাউন্সেলর (কমার্শিয়াল) রেদোয়ান আহমেদসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে স্পেনে ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় স্থানীয় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। হারিয়ে যাওয়া ই পাসপোর্টের কারণে নানা ভোগান্তি ও বিড়ম্বনা থেকে দ্রুত মুক্তি পাবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করছেন।

ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আগত ভুক্তভোগী আক্তারুজ্জামান বলেন, দীর্ঘদিন হয় স্পেনে এসেছি। ই-পাসপোর্ট হারিয়ে ফেলায় সিটি কর্পোরেশনে ঠিকানা অন্তর্ভুক্তি করতে পারছি না। প্রয়োজনীয় সুযোগ প্রাপ্তি থেকেও বঞ্চিত হচ্ছি। ই-পাসপোর্ট সেবা চালু হওয়ায় অনেকটা স্বস্থি বোধ করছি।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অ্যাসোসিয়েশন ইন স্পেন এর সভাপতি একরামুজ্জামান কীরন বলেন, আজ সত্যিই আমি আনন্দিত। বহু প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ায় অনিয়মিত অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি স্পেনে বৈধতা পাওয়ার সুযোগের প্রাথমিক উপকরণ হাতে পাবেন।

মাদ্রিদের মানবাধিকার সংগঠন ‘ভালিয়ান্তে বাংলা’র সভাপতি মো. ফজলে এলাহি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আরও বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকেই ই-পাসপোর্টের দাবি নিয়ে দূতাবাসে এসেছি। খুব খুশি লাগছে, আমাদের সকলের দাবি আশার আলো দেখেছে।

চাঁদপুর জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, ই-পাসপোর্টের অভাবে যারা স্পেনে ঠিকানা ব্যবহার করতে পারছিলেন না, তারা এখন সে ভোগান্তি থেকে রেহাই পাচ্ছেন। উন্নত দেশগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও এখন চলতে পারবেন।

সংবাদকর্মী ফখরুদ্দিন রাজী বলেন, ই-পাসপোর্টের ১০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদের সুবিধা আমরা পাবো। প্রবাসীরা বিভিন্ন এয়ারপোর্টে দ্রুততার সাথে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। ভোগান্তি অনেক কমবে।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পিয়াস পাটোয়ারি বলেন, আজ আমাদের আনন্দের একটা উপলক্ষ- ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন। বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানাই।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিদেশস্থ ২৫টি বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৬তম মিশন হিসেবে স্পেনের মাদ্রিদে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হল।