Dhaka , Friday, 24 May 2024

রাস্তা প্রশস্ত করতে ইরাকে ভাঙা হল তিনশ’ বছরের পুরনো মিনার, চারিদিকে নিন্দা

  • Robiul Islam
  • আপডেট টাইম : 08:33:18 am, Monday, 17 July 2023
  • 132 বার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাস্তা প্রশস্ত করার কাজে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইরাকের বসরা নগরীর তিনশ’ বছরের পুরনো একটি মসজিদের মিনার। এই কাণ্ডে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশটির সংস্কৃতি কর্তৃপক্ষ সবাই ফুঁসে উঠেছে। অনেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার সকালে সিরাজি মসজিদের লম্বা মিনারটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ১৭২৭ সালে এই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছিল।

বসরার বাসিন্দা মাজেদ আল হুসাইনি বলেছেন, ‌‘সবাই তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে আর এখানে তারা (বসরা কর্তৃপক্ষ) আমাদের ইতিহাস ও ঐহিত্য ধ্বংস করছে।
মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সুতিকাগার ইরাক ইতিহাস ও ঐতিহ্যে বেশ সমৃদ্ধ। দেশটিতে মুসলিম ঐতিহ্যও বেশ সমৃদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসলামিক স্টেটসহ নানামুখী সংঘাতে এরইমধ্যে অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো যেগুলো টিকে আছে স্থানীয়রা চাইছেন সেগুলো সযত্নে সংরক্ষণ করা হোক।

ইরাকের সংস্কৃতি মন্ত্রী আহমেদ আল বাদরানি বলেছেন, তিনি সিরাজি মসজিদ ভাঙার অনুমতি দেননি। তিনি আরো জানিয়েছেন, মিনারটির ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

রাস্তা প্রশস্ত করতে ইরাকে ভাঙা হল তিনশ’ বছরের পুরনো মিনার, চারিদিকে নিন্দা

আপডেট টাইম : 08:33:18 am, Monday, 17 July 2023

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাস্তা প্রশস্ত করার কাজে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ইরাকের বসরা নগরীর তিনশ’ বছরের পুরনো একটি মসজিদের মিনার। এই কাণ্ডে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে দেশটির সংস্কৃতি কর্তৃপক্ষ সবাই ফুঁসে উঠেছে। অনেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

গত শুক্রবার সকালে সিরাজি মসজিদের লম্বা মিনারটি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ১৭২৭ সালে এই মসজিদটি তৈরি করা হয়েছিল।

বসরার বাসিন্দা মাজেদ আল হুসাইনি বলেছেন, ‌‘সবাই তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে আর এখানে তারা (বসরা কর্তৃপক্ষ) আমাদের ইতিহাস ও ঐহিত্য ধ্বংস করছে।
মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সুতিকাগার ইরাক ইতিহাস ও ঐতিহ্যে বেশ সমৃদ্ধ। দেশটিতে মুসলিম ঐতিহ্যও বেশ সমৃদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্র, ইসলামিক স্টেটসহ নানামুখী সংঘাতে এরইমধ্যে অনেক ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো যেগুলো টিকে আছে স্থানীয়রা চাইছেন সেগুলো সযত্নে সংরক্ষণ করা হোক।

ইরাকের সংস্কৃতি মন্ত্রী আহমেদ আল বাদরানি বলেছেন, তিনি সিরাজি মসজিদ ভাঙার অনুমতি দেননি। তিনি আরো জানিয়েছেন, মিনারটির ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।