Dhaka , Wednesday, 29 May 2024

টরন্টোর বাঙালি পাড়ায় বৈশাখের আমেজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : 02:45:31 am, Sunday, 7 April 2024
  • 7 বার

কানাডা প্রতিনিধি : কানাডার টরন্টোর বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা ডেন্টোনিয়া পার্ক এখন বৈশাখের আমেজে সেজেছে। অপেক্ষা শুধু সময়ের। পবিত্র রমজান শেষ হলেই বৈশাখী হাওয়া জেগে উঠবে নতুন করে। ইতোমধ্যে শোভাযাত্রায় বহনের জন‍্য শিল্পীদের আঁকা নান্দনিক মুখোশ, মুকুটসহ লোকজ উপকরণ বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। টরন্টোতে বসবাসরত প্রবাসী এবং চারুকলার শিল্পীরা রাতদিন পরিশ্রম করে ব্যানার ফেস্টুন ও মুখোশ তৈরি করেছে।

পয়লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১টায় মেট্রো পার্কিং থেকে শুরু করে ডেন্টোনিয়া পার্কে সবাইকে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা। এরপরই শুরু হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। সারাদিনব্যাপী প্রাণের মেলায় মিলবে বাঙালিয়ানা আড্ডা আর লোকজ সংস্কৃতির পণ্য সামগ্রী। এছাড়াও থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, টরন্টোর অনেক শিল্পী এতে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও থাকবে শত কণ্ঠে এসো হে বৈশাখ।

এবারের ১৪৩১ বাংলা নববর্ষের পয়লা বৈশাখে টরন্টো মঙ্গল শোভাযাত্রার এক অন্য মাত্রার সংযোজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চারু কলার প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীর সমন্বয়ে গঠিত টরন্টো আর্ট কোয়েস্ট। তাদের এই অনন্য মঙ্গল শোভাযাত্রার শিল্পকর্মগুলো পুরোপুরি ঢাকার চারুকলার আদলে তৈরি। এবারে বাংলা নববর্ষের প্রতিপাদ্য ‌‘আমরাতো তিমির বিনাশী’ সত্য হোক, জয় হোক।

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ বলেন, পয়লা বৈশাখ উৎসব আমাদের বাঙালি জাতির পরিচয় তুলে ধরতে পারে বিশ্বের নানা ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের কাছে। ১ হাজার ৪৩০ বছরের দিন গণনা শেষে আমরা পা রাখব ৩১ শে।

বৈশাখী আয়োজন একক কোন সংগঠনের কৃতিত্ব নয়। বাঙালির সম্মিলিত উৎসব সবার উপস্থিতিতে আমরা যে অংশীদার হতে পারব এটাই একজন বাঙালি হিসেবে আমার সব চেয়ে বড় পাওয়া।

তিনি আরও বলেন, কানাডায় বসবাসকারী বাঙালির বন্ধন এই বৈশাখী উৎসব। মঙ্গল শোভাযাত্রা এই উৎসবের একটি অংশ মাত্র। মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সব পেশার নাগরিকদের উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে সমৃদ্ধ করবে। আমার ও আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মেরী রাশেদীন বলেন, বাংলা নববর্ষের উৎসব পহেলা বৈশাখ নামে পরিচিত, যা বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বিগ্রহ সফলতা-ব্যর্থতা, আনন্দ-বেদনা, হাসিকান্না সব মিলিয়ে শেষ হতে চলেছে আর একটা বছর। সব দুঃখের স্মৃতি ভুলিয়ে নতুন নতুন আনন্দে ভরা স্মৃতি তৈরি করার সময় চলে এসেছে। তাই পহেলা বৈশাখের এই শুভ দিনটিকে পরিবারে সঙ্গে, বাংলা কমিউনিটির সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করব। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে, সুরে সুর মিলিয়ে একসঙ্গে গেয়ে উঠব এসো হে বৈশাখ এসো এসো..

আর্ট কোয়েস্টের সোনিয়া জাহান বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সব পেশার নাগরিকদের উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে সমৃদ্ধ করবে। আমার ও আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে আগত অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Robiul Islam

টরন্টোর বাঙালি পাড়ায় বৈশাখের আমেজ

আপডেট টাইম : 02:45:31 am, Sunday, 7 April 2024

কানাডা প্রতিনিধি : কানাডার টরন্টোর বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা ডেন্টোনিয়া পার্ক এখন বৈশাখের আমেজে সেজেছে। অপেক্ষা শুধু সময়ের। পবিত্র রমজান শেষ হলেই বৈশাখী হাওয়া জেগে উঠবে নতুন করে। ইতোমধ্যে শোভাযাত্রায় বহনের জন‍্য শিল্পীদের আঁকা নান্দনিক মুখোশ, মুকুটসহ লোকজ উপকরণ বিতরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। টরন্টোতে বসবাসরত প্রবাসী এবং চারুকলার শিল্পীরা রাতদিন পরিশ্রম করে ব্যানার ফেস্টুন ও মুখোশ তৈরি করেছে।

পয়লা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১টায় মেট্রো পার্কিং থেকে শুরু করে ডেন্টোনিয়া পার্কে সবাইকে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা। এরপরই শুরু হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। সারাদিনব্যাপী প্রাণের মেলায় মিলবে বাঙালিয়ানা আড্ডা আর লোকজ সংস্কৃতির পণ্য সামগ্রী। এছাড়াও থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, টরন্টোর অনেক শিল্পী এতে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও থাকবে শত কণ্ঠে এসো হে বৈশাখ।

এবারের ১৪৩১ বাংলা নববর্ষের পয়লা বৈশাখে টরন্টো মঙ্গল শোভাযাত্রার এক অন্য মাত্রার সংযোজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চারু কলার প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীর সমন্বয়ে গঠিত টরন্টো আর্ট কোয়েস্ট। তাদের এই অনন্য মঙ্গল শোভাযাত্রার শিল্পকর্মগুলো পুরোপুরি ঢাকার চারুকলার আদলে তৈরি। এবারে বাংলা নববর্ষের প্রতিপাদ্য ‌‘আমরাতো তিমির বিনাশী’ সত্য হোক, জয় হোক।

মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ বলেন, পয়লা বৈশাখ উৎসব আমাদের বাঙালি জাতির পরিচয় তুলে ধরতে পারে বিশ্বের নানা ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের কাছে। ১ হাজার ৪৩০ বছরের দিন গণনা শেষে আমরা পা রাখব ৩১ শে।

বৈশাখী আয়োজন একক কোন সংগঠনের কৃতিত্ব নয়। বাঙালির সম্মিলিত উৎসব সবার উপস্থিতিতে আমরা যে অংশীদার হতে পারব এটাই একজন বাঙালি হিসেবে আমার সব চেয়ে বড় পাওয়া।

তিনি আরও বলেন, কানাডায় বসবাসকারী বাঙালির বন্ধন এই বৈশাখী উৎসব। মঙ্গল শোভাযাত্রা এই উৎসবের একটি অংশ মাত্র। মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সব পেশার নাগরিকদের উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে সমৃদ্ধ করবে। আমার ও আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা।

কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মেরী রাশেদীন বলেন, বাংলা নববর্ষের উৎসব পহেলা বৈশাখ নামে পরিচিত, যা বাংলা ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস। বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বিগ্রহ সফলতা-ব্যর্থতা, আনন্দ-বেদনা, হাসিকান্না সব মিলিয়ে শেষ হতে চলেছে আর একটা বছর। সব দুঃখের স্মৃতি ভুলিয়ে নতুন নতুন আনন্দে ভরা স্মৃতি তৈরি করার সময় চলে এসেছে। তাই পহেলা বৈশাখের এই শুভ দিনটিকে পরিবারে সঙ্গে, বাংলা কমিউনিটির সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করব। সবাই হাতে হাত মিলিয়ে, সুরে সুর মিলিয়ে একসঙ্গে গেয়ে উঠব এসো হে বৈশাখ এসো এসো..

আর্ট কোয়েস্টের সোনিয়া জাহান বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে সব পেশার নাগরিকদের উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে সমৃদ্ধ করবে। আমার ও আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সবাইকে স্বাগত এবং নববর্ষের শুভেচ্ছা। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে আগত অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।