ইতালিসহ ইউরোপের দেশগুলোতে আজ (রোববার) রাতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানো হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন সময় বা ডে-লাইট সেভিং টাইম এবং শুরু হচ্ছে শীতকালীন বা স্ট্যান্ডার্ড সময়।
এই সময় পরিবর্তনের লক্ষ্য হলো দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা। গ্রীষ্মকালে সূর্য তাড়াতাড়ি ওঠে ও দেরিতে অস্ত যায়, তাই সন্ধ্যার আলোতে বেশি সময় কাজের সুযোগ দিতে সময় এক ঘণ্টা এগিয়ে দেওয়া হয়। অক্টোবরের শেষ দিকে দিন ছোট হতে শুরু করলে আবার সময় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়।
ফলে ইতালিতে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছানোর পর বাংলাদেশ ও ইতালির সময়ের পার্থক্য হবে ৫ ঘণ্টা— আগের ৪ ঘণ্টার পরিবর্তে।
সময়ের এই পরিবর্তন কেবল প্রযুক্তিগত নয়; এটি ঋতু বদলেরও এক প্রতীকী ইঙ্গিত। দিন ছোট হয়, সন্ধ্যা নামে দ্রুত, আর শীতের আগমনি অনুভূত হয় বাতাসে।
তবে ইউরোপে এখন এই নিয়ম নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আধুনিক যুগে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পুরোনো যুক্তি আর তেমন কার্যকর নয়। বরং বছরে দুইবার সময় বদলের কারণে মানুষের ঘুম, কাজের তাল এবং দেহঘড়ির ছন্দে প্রভাব পড়ে। এ কারণেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন সময় পরিবর্তনের এই প্রথা রাখবে কিনা— তা নিয়ে পুনর্বিবেচনা শুরু করেছে।

প্রবাস ডেস্ক 

















