Dhaka , Saturday, 8 August 2026
শিরোনাম :
বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েও হারল ঢাকা , টানা দ্বিতীয় জয় সিলেটের

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আসর শুরুতে হার দিয়ে যাত্রা করলেও দ্রুতই ছন্দে ফিরেছে সিলেট টাইটান্স। ঘরের মাঠে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে হারানোর পর এবার ঢাকা ক্যাপিটালসকেও পরাজিত করেছে দলটি।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ঢাকাকে ৬ রানে হারায় স্বাগতিক সিলেট। ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করতে পারে ১৬৭ রান।

 

শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের আশা দেখান শামীম পাটোয়ারি। ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে তিনি অপরাজিত থাকেন ৮১ রানে। তবে তার লড়াকু প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত দলের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি।

 

এ ম্যাচে সিলেটের জয়ের প্রধান কারিগর ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অপরাজিত অর্ধশতক করার পাশাপাশি বল হাতে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই আফগান অলরাউন্ডার।

 

ব্যাটে-বলে অলরাউন্ডারিং পারফরম্যান্সে সিলেটের জয়ের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই। আফগান এ অলরাউন্ডার অপরাজিত ফিফটির ইনিংসের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
 
এদিন রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই সিলেটের বোলারদের তোপে পড়ে ঢাকার ব্যাটাররা। ৪৩ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচও হয়ে যায় একপেশে। ঢাকার হার যখন একপ্রকার নিশ্চিত তখন আশার প্রদীপ হয়ে দাঁড়ান শামীম। একপ্রান্ত আগলে রেখে চার-ছক্কায় ক্রিজের আধিপত্য নেন নিজের দখলে। শেষ ওভারে ২৭ রানের কঠিন সমীকরণও প্রায় সহজ করে ফেলেছিলেন তিনি। শেষ দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকালে ম্যাচটিও জেতাতে পারতেন ঢাকাকে। তবে অভিজ্ঞ পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির সেটি হতে দেননি। পঞ্চম বলে চার হাঁকিয়ে টাইয়ের আশা রেখেছিলেন শামীম। কিন্তু শেষ বলে আমিরের ইয়র্কারের কাছে পরাস্ত হতে হয় তাকে।
 
৪৩ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন শামীম। যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে সেরা ইনিংস। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন সাব্বির রহমান আর ২১ রান করেন উসমান খান। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের ঘরই স্পর্শ করতে পারেননি। সিলেটের হয়ে বল হাতে ৪০ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন ওমরজাই। এছাড়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আমির ও নাসুম আহমেদ।
 
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে পারভেজ হোসেন ইমন ও ওমরজাইয়ের নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করতে সক্ষম হয়েছিল সিলেট। ৩২ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ রান করে আউট হন প্রথম দুই ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো ইমন। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন ওমরজাই। এছাড়া ২৯ রানের ইনিংস খেলেন সাইম আইয়ুব। ঢাকার হয়ে ৪৬ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট তুলে নেন সালমান মীর্জা। আইএল টি-টোয়েন্টি মাতিয়ে প্রথম বিপিএল খেলতে নামা তাসকিন আহমেদও ১ উইকেট নিতে ৪৬ রান খরচ করেন।
ঘরের মাঠে এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেলো সিলেট। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হারিয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। অন্যদিকে জয় দিয়ে আসর শুরু করা ঢাকা হারের স্বাদও পেয়ে গেল দ্রুত।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জনপ্রিয় সংবাদ

শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়েও হারল ঢাকা , টানা দ্বিতীয় জয় সিলেটের

আপডেট টাইম : 06:04:55 pm, Thursday, 1 January 2026

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আসর শুরুতে হার দিয়ে যাত্রা করলেও দ্রুতই ছন্দে ফিরেছে সিলেট টাইটান্স। ঘরের মাঠে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে হারানোর পর এবার ঢাকা ক্যাপিটালসকেও পরাজিত করেছে দলটি।

 

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে ঢাকাকে ৬ রানে হারায় স্বাগতিক সিলেট। ১৭৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকা ক্যাপিটালস ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করতে পারে ১৬৭ রান।

 

শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দলকে জয়ের আশা দেখান শামীম পাটোয়ারি। ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে তিনি অপরাজিত থাকেন ৮১ রানে। তবে তার লড়াকু প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত দলের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি।

 

এ ম্যাচে সিলেটের জয়ের প্রধান কারিগর ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অপরাজিত অর্ধশতক করার পাশাপাশি বল হাতে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন এই আফগান অলরাউন্ডার।

 

ব্যাটে-বলে অলরাউন্ডারিং পারফরম্যান্সে সিলেটের জয়ের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই। আফগান এ অলরাউন্ডার অপরাজিত ফিফটির ইনিংসের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
 
এদিন রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই সিলেটের বোলারদের তোপে পড়ে ঢাকার ব্যাটাররা। ৪৩ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচও হয়ে যায় একপেশে। ঢাকার হার যখন একপ্রকার নিশ্চিত তখন আশার প্রদীপ হয়ে দাঁড়ান শামীম। একপ্রান্ত আগলে রেখে চার-ছক্কায় ক্রিজের আধিপত্য নেন নিজের দখলে। শেষ ওভারে ২৭ রানের কঠিন সমীকরণও প্রায় সহজ করে ফেলেছিলেন তিনি। শেষ দুই বলে দুটি ছক্কা হাঁকালে ম্যাচটিও জেতাতে পারতেন ঢাকাকে। তবে অভিজ্ঞ পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির সেটি হতে দেননি। পঞ্চম বলে চার হাঁকিয়ে টাইয়ের আশা রেখেছিলেন শামীম। কিন্তু শেষ বলে আমিরের ইয়র্কারের কাছে পরাস্ত হতে হয় তাকে।
 
৪৩ বলে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৮১ রানে অপরাজিত ছিলেন শামীম। যা তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে সেরা ইনিংস। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন সাব্বির রহমান আর ২১ রান করেন উসমান খান। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের ঘরই স্পর্শ করতে পারেননি। সিলেটের হয়ে বল হাতে ৪০ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন ওমরজাই। এছাড়া ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আমির ও নাসুম আহমেদ।
 
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে পারভেজ হোসেন ইমন ও ওমরজাইয়ের নৈপুণ্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করতে সক্ষম হয়েছিল সিলেট। ৩২ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ রান করে আউট হন প্রথম দুই ম্যাচে ফিফটি হাঁকানো ইমন। ২৪ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন ওমরজাই। এছাড়া ২৯ রানের ইনিংস খেলেন সাইম আইয়ুব। ঢাকার হয়ে ৪৬ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট তুলে নেন সালমান মীর্জা। আইএল টি-টোয়েন্টি মাতিয়ে প্রথম বিপিএল খেলতে নামা তাসকিন আহমেদও ১ উইকেট নিতে ৪৬ রান খরচ করেন।
ঘরের মাঠে এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেলো সিলেট। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হারিয়েছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে। অন্যদিকে জয় দিয়ে আসর শুরু করা ঢাকা হারের স্বাদও পেয়ে গেল দ্রুত।