Dhaka , Thursday, 24 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

একযোগে ৬ দেশকে ভিসা নিয়ে সুখবর দিলো আরব আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধার আওতা আরও বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমিরাতে পৌঁছেই আগমনী ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিক এবং তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরা আমিরাতে প্রবেশের পর ১৪ দিন অথবা ৬০ দিনের ভিসা-অন-অ্যারাইভালের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।

 

তবে এ সুবিধা পেতে কিছু নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) জানিয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য দেশের বৈধ রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে।

 

এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা থেকে ইস্যুকৃত বৈধ আবাসন অনুমতিপত্রধারীরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

 

আইসিপির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ দিনের ভিসা-অন-অ্যারাইভালের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ দিরহাম। এই ভিসা একবার নবায়নের সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে ৬০ দিনের ভিসার জন্য ২৫০ দিরহাম ফি দিতে হবে। তবে এই ভিসা নবায়নযোগ্য নয়।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দর্শনার্থীদের অবশ্যই দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে প্রতিদিন ৫০ দিরহাম হারে জরিমানা গুনতে হবে।

 

আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা, পর্যটন বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

মন্ত্রণালয়ের মতে, ভ্রমণ ও কনস্যুলার সেবা সহজ করার মাধ্যমে দেশটিকে আন্তর্জাতিক পর্যটক, বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ জনশক্তির জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

একযোগে ৬ দেশকে ভিসা নিয়ে সুখবর দিলো আরব আমিরাত

আপডেট টাইম : 11:15:08 pm, Thursday, 25 June 2026

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধার আওতা আরও বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিকরা এখন থেকে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আমিরাতে পৌঁছেই আগমনী ভিসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

 

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর নাগরিক এবং তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরা আমিরাতে প্রবেশের পর ১৪ দিন অথবা ৬০ দিনের ভিসা-অন-অ্যারাইভালের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন।

 

তবে এ সুবিধা পেতে কিছু নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) জানিয়েছে, আবেদনকারীদের অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য দেশের বৈধ রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে।

 

এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা থেকে ইস্যুকৃত বৈধ আবাসন অনুমতিপত্রধারীরাও এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

 

আইসিপির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ দিনের ভিসা-অন-অ্যারাইভালের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ দিরহাম। এই ভিসা একবার নবায়নের সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে ৬০ দিনের ভিসার জন্য ২৫০ দিরহাম ফি দিতে হবে। তবে এই ভিসা নবায়নযোগ্য নয়।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দর্শনার্থীদের অবশ্যই দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে প্রতিদিন ৫০ দিরহাম হারে জরিমানা গুনতে হবে।

 

আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা, পর্যটন বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

মন্ত্রণালয়ের মতে, ভ্রমণ ও কনস্যুলার সেবা সহজ করার মাধ্যমে দেশটিকে আন্তর্জাতিক পর্যটক, বিনিয়োগকারী এবং দক্ষ জনশক্তির জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।