Dhaka , Saturday, 8 August 2026
শিরোনাম :
বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৭ হাজার ১০৫টি অভিযানে ৪১ হাজার ৫৯৬ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একই সময়ে ৯৬ হাজার ৯৯৪ জনের কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।

 

সোমবার হারিয়ান মেট্রোর’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলে সমন্বিত আইন প্রয়োগ অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।

 

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপসম) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (এএমএলএ)-এর আওতায় আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে, যেন ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

 

জাকারিয়া বলেন, আইনে প্রদত্ত সব ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এখনও আইনের বাইরে থেকে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা।

 

তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধকে দেশের জন্য একটি ‘ক্যানসার’ বা মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখতে চাই না। তাই কোনো ধরনের আপস ছাড়াই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

এদিকে, ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলের দুটি ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৫৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

 

জাকারিয়া জানান, স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি শ্রম বিভাগ এবং পরিবেশ বিভাগ-এর মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

 

তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কাগজপত্র নিয়োগকর্তার কাছে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাদের আপাতত আটক রেখে নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের বৈধ অবস্থান যাচাই করা হবে।

 

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, অভিযানে দেখা গেছে কারখানাগুলোতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হতো। কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেলেই শ্রমিকদের লুকিয়ে পড়া বা পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের সাধারণ কৌশল (মোডাস অপারেন্ডি)।

 

তিনি বলেন, এ ধরনের কৌশল ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে প্রায়ই দেখা যায় এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ৪১ হাজার ৫৯৬ অবৈধ প্রবাসী আটক

আপডেট টাইম : 09:30:44 pm, Tuesday, 28 July 2026

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১৫ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী পরিচালিত ৭ হাজার ১০৫টি অভিযানে ৪১ হাজার ৫৯৬ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। একই সময়ে ৯৬ হাজার ৯৯৪ জনের কাগজপত্র ও পরিচয় যাচাই করা হয়েছে।

 

সোমবার হারিয়ান মেট্রোর’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলে সমন্বিত আইন প্রয়োগ অভিযান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।

 

তিনি বলেন, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী আইন ২০০৭ (এটিপসম) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (এএমএলএ)-এর আওতায় আইন প্রয়োগ আরও জোরদার করা হবে, যেন ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়।

 

জাকারিয়া বলেন, আইনে প্রদত্ত সব ধরনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা এখনও আইনের বাইরে থেকে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এটি একটি কঠোর বার্তা।

 

তিনি আরও বলেন, অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধকে দেশের জন্য একটি ‘ক্যানসার’ বা মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখতে চাই না। তাই কোনো ধরনের আপস ছাড়াই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

এদিকে, ক্লাংয়ের কাপার বেস্টারি শিল্পাঞ্চলের দুটি ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৫৮ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

 

জাকারিয়া জানান, স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি শ্রম বিভাগ এবং পরিবেশ বিভাগ-এর মোট ৭৭ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অংশ নেন।

 

তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিরা বৈধ পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় নথি তাৎক্ষণিকভাবে দেখাতে পারেননি। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের কাগজপত্র নিয়োগকর্তার কাছে রাখা হয়েছে। এ কারণে তাদের আপাতত আটক রেখে নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের বৈধ অবস্থান যাচাই করা হবে।

 

ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক জানান, অভিযানে দেখা গেছে কারখানাগুলোতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিভি) স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হতো। কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেলেই শ্রমিকদের লুকিয়ে পড়া বা পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া ছিল তাদের সাধারণ কৌশল (মোডাস অপারেন্ডি)।

 

তিনি বলেন, এ ধরনের কৌশল ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযানে প্রায়ই দেখা যায় এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।