পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে নির্যাতন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির জুডিশিয়াল পুলিশ (পিজে)। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ‘অপারেশন টাকা’ (Operation Taka)-এর নামে এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
লিসবনের জুডিশিয়াল পুলিশ বা পিজে জানায়, অপহৃত ব্যক্তিকে মারাত্মকভাবে মারধর করে মুক্তিপণ আদায়ের পর ছেড়ে দেয় এই চক্রটি। গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশির বয়স ৩৫ ও ৪৩ বছর। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত জুন মাসের শেষ সপ্তাহে। ৩৩ বছর বয়সী এক বিদেশি নাগরিককে লিসবনের একটি গোপন আস্তানায় জিম্মি করে এই চক্রটি। সেখানে টানা দুই দিন ধরে ভুক্তভোগীর ওপর চালানো হয় অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন ও মারধর।
নির্যাতনের মুখে ভুক্তভোগী নাগরিক একটি বড় অঙ্কের অর্থ বা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হন। চক্রটি অর্থ বুঝে পাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দিলেও, ভুক্তভোগী বিষয়টি পর্তুগিজ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, অর্থ আদায়ের এই পুরো প্রক্রিয়াই পরিচালনা করা হয়েছিল অবৈধ চক্রের মাধ্যমে।
লিসবনের জুডিশিয়াল পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত দুই বাংলাদেশিকে ইতিমধ্যেই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
লিসবনে বাংলাদেশি প্রবাসীদের এমন অপরাধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখানে বসবাসরত সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে চরম উদ্বেগ আর বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

প্রবাস ডেস্ক 


















