পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে শুরু থেকেই চাপে রেখেছিল বাংলাদেশের বোলাররা। বিশেষ করে নাহিদা ও রাবেয়ার স্পিনে বিপর্যস্ত হয়ে ১৫০ রানের নিচেই থেমে যায় পাকিস্তান। বোলারদের দেওয়া মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং উপহার দেন টাইগ্রেসরা। ওপেনার রুবাইয়া হায়দারের দারুণ হাফসেঞ্চুরিতে সহজ জয় পায় বাংলাদেশ।
কলম্বোতে টস জিতে আগে ব্যাট করে পাকিস্তান। নির্ধারিত ৩৮.৩ ওভারে দলটি অলআউট হয় মাত্র ১২৯ রানে। তাদের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন রামিন শামিম। জবাবে ৩১.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য অতিক্রম করে বাংলাদেশ।
ছোট রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি লাল-সবুজের মেয়েদের। ফারজানা হক ১৭ বলে ২ রান করে ফিরলে ৭ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তিনে নেমে শারমিন আক্তারও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, করেন মাত্র ১০ রান।
দুই দ্রুত উইকেটের পর ব্যাটিং সামলান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও ওপেনার ঝিলিক। এই জুটি তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ৬২ রান। জ্যোতি ব্যক্তিগত ২৩ রানে ফেরার পর ঝিলিক দায়িত্ব নেন পুরো ইনিংস টেনে নেওয়ার।
অভিষেক ওয়ানডেতেই ফিফটি করে আলো কাড়েন তরুণী এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৭৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেন তিনি। তার সঙ্গে সুবহানা মুস্তারি ছিলেন আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে—১৯ বলে অপরাজিত ২৪ রানে ম্যাচ শেষ করে আসেন।
এর আগে বল হাতে পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন মারুফা আক্তার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই দুই উইকেট তুলে নেন তিনি—ওমাইমা সোহেল ও সিদরা আমিনকে শূন্য রানে ফেরান এই পেসার।
প্রথম ধাক্কার পর মুনিবা আলি (১৭) ও রামিন শামিম (২৩) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নাহিদা আক্তারের ঘূর্ণিতে ভেঙে যায় তাদের জুটি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। শেষদিকে ফাতিমা সানা ২২ ও ডায়ানা বেগ ১৬ রানের ছোট ইনিংস খেললেও দলকে ভরসা দিতে পারেননি কেউ।
বাংলাদেশের হয়ে স্বর্ণা ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংস সেরা বোলার হন। মারুফা ও নাহিদা নেন ২টি করে উইকেট। রাবেয়া, নিশিতা ও ফাহিমা একটি করে উইকেট ভাগ করে নেন।

স্পোর্টস ডেস্ক 



















