Dhaka , Friday, 25 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়লো

রাজধানীর মেট্রোরেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথম ট্রেন চালুর মাধ্যমে নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। এতে সকালে মেট্রো ট্রেন চালুর সময় ও রাতে বন্ধের সময় আধা ঘণ্টা করে বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, উত্তরা-উত্তর স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৬টায় মতিঝিলগামী প্রথম ট্রেন ছেড়ে যায়। আগে এ ট্রেন ছাড়ত সকাল ৭টা ১০ মিনিটে। অন্যদিকে মতিঝিল থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১০টা ১০ মিনিটে।

 

শুক্রবারের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে শুক্রবার মেট্রোরেল চালু হবে বিকেল ৩টার পরিবর্তে আড়াইটায়।

বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার লাখ যাত্রী চলাচল করেন। সময় বাড়ানোর পর এই সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়াবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

 

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, ট্রিপ বাড়ানোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই ট্রিপ বাড়ানো সম্ভব হবে।

বর্তমানে রুটটিতে ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে, যার মধ্যে ১২ সেট নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে। ট্রিপ বাড়লে ১৯ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক চলবে।

 

যাত্রীরা জানিয়েছেন, সময় বাড়ানোয় তাদের যাতায়াত আরও সহজ হবে। মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী ও ট্রাভেল এজেন্সি কর্মকর্তা আরশাদুল হক বলেন, “ঢাকার মতো যানজটপূর্ণ শহরে মেট্রোরেল এখন ভরসার নাম। সময় ও ট্রিপ বাড়ানো হলে যাত্রীরা আরও স্বস্তি পাবেন।”

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উদ্বোধনের পর মেট্রোরেল প্রথমে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। পরবর্তীতে মতিঝিল পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়। বর্তমানে কমলাপুর পর্যন্ত রুট সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

 

প্রকল্পটির অনুমোদন হয় ২০১২ সালে। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকায়। প্রকল্পে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)—যারা প্রায় ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

আজ থেকে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়লো

আপডেট টাইম : 02:12:17 pm, Sunday, 19 October 2025

রাজধানীর মেট্রোরেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রথম ট্রেন চালুর মাধ্যমে নতুন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। এতে সকালে মেট্রো ট্রেন চালুর সময় ও রাতে বন্ধের সময় আধা ঘণ্টা করে বাড়ানো হয়েছে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, উত্তরা-উত্তর স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ৬টায় মতিঝিলগামী প্রথম ট্রেন ছেড়ে যায়। আগে এ ট্রেন ছাড়ত সকাল ৭টা ১০ মিনিটে। অন্যদিকে মতিঝিল থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ১০টা ১০ মিনিটে।

 

শুক্রবারের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে শুক্রবার মেট্রোরেল চালু হবে বিকেল ৩টার পরিবর্তে আড়াইটায়।

বর্তমানে উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার লাখ যাত্রী চলাচল করেন। সময় বাড়ানোর পর এই সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়াবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

 

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, ট্রিপ বাড়ানোর বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই ট্রিপ বাড়ানো সম্ভব হবে।

বর্তমানে রুটটিতে ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে, যার মধ্যে ১২ সেট নিয়মিত যাত্রী পরিবহন করছে। ট্রিপ বাড়লে ১৯ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক চলবে।

 

যাত্রীরা জানিয়েছেন, সময় বাড়ানোয় তাদের যাতায়াত আরও সহজ হবে। মেট্রোরেলের নিয়মিত যাত্রী ও ট্রাভেল এজেন্সি কর্মকর্তা আরশাদুল হক বলেন, “ঢাকার মতো যানজটপূর্ণ শহরে মেট্রোরেল এখন ভরসার নাম। সময় ও ট্রিপ বাড়ানো হলে যাত্রীরা আরও স্বস্তি পাবেন।”

২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর উদ্বোধনের পর মেট্রোরেল প্রথমে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল শুরু করে। পরবর্তীতে মতিঝিল পর্যন্ত সম্প্রসারণ হয়। বর্তমানে কমলাপুর পর্যন্ত রুট সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

 

প্রকল্পটির অনুমোদন হয় ২০১২ সালে। প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকায়। প্রকল্পে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)—যারা প্রায় ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে।