Dhaka , Friday, 25 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

চট্টগ্রাম বন্দরে যানবাহন প্রবেশের বাড়তি মাশুল স্থগিত

চট্টগ্রাম বন্দরে যানবাহন প্রবেশের বাড়তি গেটপাস ফি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে পণ্য পরিবহনে সৃষ্ট অচলাবস্থা কিছুটা নিরসন হয়েছে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বন্দর চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।

 

তিনি জানান, “সরকারি অনুমোদিত গেজেট অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে ফি পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে না। তবে শ্রমিক ও মালিকদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে যানবাহনের বর্ধিত গেটপাস ফি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।”

ওমর ফারুক আরও বলেন, “বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সুপারিশসহ প্রস্তাব বোর্ডে পাঠাব, পরে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সবাই কাজে ফিরে যাচ্ছেন।”

 

তিনি জানান, বন্দর এলাকায় প্রায় ৬ হাজার ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান অপেক্ষমাণ ছিল। ফি স্থগিতের ঘোষণার পর এসব যানবাহন ডেলিভারি ও রপ্তানি কাজে অংশ নিচ্ছে।

বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান–ট্রাক–প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক সমিতির বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মো. শামসুজ্জামান সুমন বলেন, “বৈঠকে গেটপাস ফি স্থগিতের আশ্বাস পেয়েছি। আমরা আমাদের সব সদস্যকে বন্দর কার্যক্রমে ফিরে যেতে নির্দেশ দিয়েছি।”

 

এর আগে, ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহন প্রবেশের ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এতে শনিবার থেকে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও ট্রেইলার চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক-শ্রমিকরা, ফলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

বন্দর সচিব আশা প্রকাশ করেন, স্থগিতাদেশের পর থেকে বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং পণ্য পরিবহনে নতুন কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

চট্টগ্রাম বন্দরে যানবাহন প্রবেশের বাড়তি মাশুল স্থগিত

আপডেট টাইম : 08:56:23 pm, Sunday, 19 October 2025

চট্টগ্রাম বন্দরে যানবাহন প্রবেশের বাড়তি গেটপাস ফি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে পণ্য পরিবহনে সৃষ্ট অচলাবস্থা কিছুটা নিরসন হয়েছে।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে বন্দর চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর সচিব মো. ওমর ফারুক।

 

তিনি জানান, “সরকারি অনুমোদিত গেজেট অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষ একতরফাভাবে ফি পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে না। তবে শ্রমিক ও মালিকদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে যানবাহনের বর্ধিত গেটপাস ফি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।”

ওমর ফারুক আরও বলেন, “বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সুপারিশসহ প্রস্তাব বোর্ডে পাঠাব, পরে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সবাই কাজে ফিরে যাচ্ছেন।”

 

তিনি জানান, বন্দর এলাকায় প্রায় ৬ হাজার ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান অপেক্ষমাণ ছিল। ফি স্থগিতের ঘোষণার পর এসব যানবাহন ডেলিভারি ও রপ্তানি কাজে অংশ নিচ্ছে।

বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান–ট্রাক–প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক সমিতির বন্দর বিষয়ক সম্পাদক মো. শামসুজ্জামান সুমন বলেন, “বৈঠকে গেটপাস ফি স্থগিতের আশ্বাস পেয়েছি। আমরা আমাদের সব সদস্যকে বন্দর কার্যক্রমে ফিরে যেতে নির্দেশ দিয়েছি।”

 

এর আগে, ১৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দরে ভারী যানবাহন প্রবেশের ফি ৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এতে শনিবার থেকে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও ট্রেইলার চলাচল বন্ধ করে দেয় মালিক-শ্রমিকরা, ফলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

বন্দর সচিব আশা প্রকাশ করেন, স্থগিতাদেশের পর থেকে বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাবে এবং পণ্য পরিবহনে নতুন কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না।