Dhaka , Friday, 25 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

আজ জেলহত্যা দিবস

আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ঘটে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। ইতিহাসবিদদের মতে, এই হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ও আদর্শিক ধারাকে নিশ্চিহ্ন করা।

 

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এইচ এম কামারুজ্জামান।

দীর্ঘদিন ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকা এই ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরবর্তীতে আদালত কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা ও কার্যকর করে।

 

প্রতি বছর দিনটি নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। বিশিষ্টজনরা বলেন, “নেতাদের হত্যা করা হলেও তাদের আদর্শ আজও অমর— কারণ ইতিহাস কোনো আদর্শকে মুছে দিতে পারে না।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

আজ জেলহত্যা দিবস

আপডেট টাইম : 10:30:45 am, Monday, 3 November 2025

আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধের সময়কালীন জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ঘটে এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড। ইতিহাসবিদদের মতে, এই হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব ও আদর্শিক ধারাকে নিশ্চিহ্ন করা।

 

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ওই সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং খাদ্য ও ত্রাণমন্ত্রী এইচ এম কামারুজ্জামান।

দীর্ঘদিন ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকা এই ঘটনার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরবর্তীতে আদালত কয়েক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা ও কার্যকর করে।

 

প্রতি বছর দিনটি নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। বিশিষ্টজনরা বলেন, “নেতাদের হত্যা করা হলেও তাদের আদর্শ আজও অমর— কারণ ইতিহাস কোনো আদর্শকে মুছে দিতে পারে না।”