Dhaka , Thursday, 24 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

পাঁচ শরিয়াহ ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আর্থিক সংকটে জর্জরিত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর ঘোষণা করে নতুন একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পৃথক পৃথক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়।

 

অকার্যকর ঘোষিত ব্যাংকগুলো হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সুপারিশ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, ৫ নভেম্বর থেকে এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশের আওতায় এগুলো পরিচালিত হবে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে নতুন একটি সরকারি মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই আজ পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

 

এদিকে, আজ বিকেল ৪টায় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদ সরকারি মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।

 

গত এক বছরে তারল্য সংকট, বিপুল পরিমাণ শ্রেণিকৃত ঋণ, প্রভিশন ঘাটতি এবং মূলধন ঘাটতির কারণে এসব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ভয়াবহভাবে অবনতি ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, তারল্য সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও ব্যাংকগুলোর কর্মক্ষমতা ও বাজারমূল্য ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে, এমনকি বেশ কয়েকটির নিট সম্পদমূল্য এখন ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

পাঁচ শরিয়াহ ব্যাংককে অকার্যকর ঘোষণা করলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট টাইম : 04:51:55 pm, Wednesday, 5 November 2025

আর্থিক সংকটে জর্জরিত শরিয়াভিত্তিক পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর ঘোষণা করে নতুন একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পৃথক পৃথক চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়।

 

অকার্যকর ঘোষিত ব্যাংকগুলো হলো— ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সুপারিশ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রস্তাবের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, ৫ নভেম্বর থেকে এসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রম স্থগিত থাকবে এবং ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশের আওতায় এগুলো পরিচালিত হবে।

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে নতুন একটি সরকারি মালিকানাধীন শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবেই আজ পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

 

এদিকে, আজ বিকেল ৪টায় গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সভাপতিত্বে ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদ সরকারি মালিকানাধীন ইসলামি ব্যাংক গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দেয়।

 

গত এক বছরে তারল্য সংকট, বিপুল পরিমাণ শ্রেণিকৃত ঋণ, প্রভিশন ঘাটতি এবং মূলধন ঘাটতির কারণে এসব ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা ভয়াবহভাবে অবনতি ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, তারল্য সহায়তা দেওয়া সত্ত্বেও ব্যাংকগুলোর কর্মক্ষমতা ও বাজারমূল্য ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে, এমনকি বেশ কয়েকটির নিট সম্পদমূল্য এখন ঋণাত্মক অবস্থায় রয়েছে।