Dhaka , Saturday, 8 August 2026
শিরোনাম :
বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

জেরুজালেমে অবস্থানরত এই জার্মান পুলিশের দলটি স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী পুনর্গঠনে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ডট। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। এজন্য আমরা ফেডারেল পুলিশের একটি উচ্চপর্যায়ের দল জেরুজালেমে পাঠিয়েছি।”

 

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মকর্তারা জেরুজালেমে অবস্থিত অফিস ফর সিকিউরিটি (ওএসসি) থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পুনর্গঠনের কাজে সহায়তা করছেন। চার সদস্যের এই দলটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পৌঁছায়। তাদের মূল লক্ষ্য হলো—ফিলিস্তিনি বেসামরিক নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করতে জার্মানির অবদান বৃদ্ধি করা। উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে জার্মান পুলিশ এ ধরনের সহায়তা প্রদান করে আসছে।

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন ‘ইইউবিএএম রাফাহ’ ২০২৫ সালের শুরু থেকে পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। মিশনের প্রধান কাজ হলো গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংয়ে নিরপেক্ষ উপস্থিতি বজায় রাখা। যদিও বর্তমানে এটি স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় রয়েছে।

 

জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিশনে বর্তমানে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন, যারা ইসরায়েলের রামাত গান এলাকায় অবস্থান করছেন। এখান থেকেই মিশনের সমন্বয় ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, ইইউপল কপস মিশনে জার্মান অংশগ্রহণ আগামী জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হবে। মিশনের উদ্দেশ্য হলো পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

 

গত অক্টোবর পর্যন্ত শেষবার এক জার্মান পুলিশ কর্মকর্তা এই মিশনে নিয়োজিত ছিলেন।

 

গাজা উপত্যকায় চলমান স্থিতিশীলতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে বর্তমানে তিনজন জার্মান সামরিক কর্মকর্তা মোতায়েন রয়েছেন। তারা মার্কিন নেতৃত্বাধীন সিভিল-মিলিটারি কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের (সিএমসিসি) অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন। ইউনিফর্মে থাকলেও তারা পুরোপুরি নিরস্ত্র।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি

আপডেট টাইম : 06:40:30 pm, Thursday, 13 November 2025

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

 

জেরুজালেমে অবস্থানরত এই জার্মান পুলিশের দলটি স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী পুনর্গঠনে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছেন জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ডট। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। এজন্য আমরা ফেডারেল পুলিশের একটি উচ্চপর্যায়ের দল জেরুজালেমে পাঠিয়েছি।”

 

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, এই কর্মকর্তারা জেরুজালেমে অবস্থিত অফিস ফর সিকিউরিটি (ওএসসি) থেকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পুনর্গঠনের কাজে সহায়তা করছেন। চার সদস্যের এই দলটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে পৌঁছায়। তাদের মূল লক্ষ্য হলো—ফিলিস্তিনি বেসামরিক নিরাপত্তা বাহিনীকে শক্তিশালী করতে জার্মানির অবদান বৃদ্ধি করা। উল্লেখ্য, গত ১৫ বছর ধরে জার্মান পুলিশ এ ধরনের সহায়তা প্রদান করে আসছে।

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন ‘ইইউবিএএম রাফাহ’ ২০২৫ সালের শুরু থেকে পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। মিশনের প্রধান কাজ হলো গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিংয়ে নিরপেক্ষ উপস্থিতি বজায় রাখা। যদিও বর্তমানে এটি স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় রয়েছে।

 

জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মিশনে বর্তমানে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন, যারা ইসরায়েলের রামাত গান এলাকায় অবস্থান করছেন। এখান থেকেই মিশনের সমন্বয় ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, ইইউপল কপস মিশনে জার্মান অংশগ্রহণ আগামী জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হবে। মিশনের উদ্দেশ্য হলো পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

 

গত অক্টোবর পর্যন্ত শেষবার এক জার্মান পুলিশ কর্মকর্তা এই মিশনে নিয়োজিত ছিলেন।

 

গাজা উপত্যকায় চলমান স্থিতিশীলতা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে বর্তমানে তিনজন জার্মান সামরিক কর্মকর্তা মোতায়েন রয়েছেন। তারা মার্কিন নেতৃত্বাধীন সিভিল-মিলিটারি কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের (সিএমসিসি) অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন। ইউনিফর্মে থাকলেও তারা পুরোপুরি নিরস্ত্র।