Dhaka , Friday, 25 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

মালদ্বীপে মিয়াঞ্জ কলেজের বিশেষ উপহার পেলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার

মালদ্বীপের অন্যতম খ্যাতিমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিয়াঞ্জ কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ উপহার হিসেবে অর্কিড বৃক্ষের চারা পেয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আহমেদ মোত্তাকি তার হাতে উপহারটি তুলে দেন।

 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানী মালেতে গিয়াসউদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অডিটোরিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে কলেজটির সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও কলেজের দীর্ঘ পথচলা নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হাইকমিশনারকে এ বিশেষ উপহার প্রদান করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শিক্ষা উদ্যোক্তা আহমেদ মোত্তাকি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. আব্দুল রহিম হাসান। লেভেল থ্রি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত মোট ১,৬৬৪ জন শিক্ষার্থীকে এ দিন সনদ দেওয়া হয়।

 

আহমেদ মোত্তাকি জানান, ২০০৬ সালে মাত্র ১৯ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা মিয়াঞ্জ কলেজ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি স্নাতক উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানী মালেসহ বিভিন্ন দ্বীপে কলেজটির ১৭টি শাখা রয়েছে। ২০২২ সালে আড্ডু সিটিতে ‘স্কুল অব এগ্রিকালচারাল’ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমও শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে কলেজটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর ও বাংলাদেশে একটি শাখা খোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম স্নাতক শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং মালদ্বীপের শিক্ষাখাতে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠাতা মোত্তাকিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মোত্তাকির অবদান বাংলাদেশের সফট পাওয়ার, পাওয়ার অব বন্ডিং, এবং দুই দেশের জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মালদ্বীপের শিক্ষা, সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশিদের ভূমিকা দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। মিয়াঞ্জ কলেজ এখন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের বাস্তব দৃষ্টান্ত।

 

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে মনে করিয়ে দেন, বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্ক বহুদিনের, যা গড়ে উঠেছে অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক বন্ধন, সামুদ্রিক ইতিহাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে। দুই দেশের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

মালদ্বীপে মিয়াঞ্জ কলেজের বিশেষ উপহার পেলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার

আপডেট টাইম : 02:18:40 pm, Tuesday, 2 December 2025

মালদ্বীপের অন্যতম খ্যাতিমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিয়াঞ্জ কলেজের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ উপহার হিসেবে অর্কিড বৃক্ষের চারা পেয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আহমেদ মোত্তাকি তার হাতে উপহারটি তুলে দেন।

 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাজধানী মালেতে গিয়াসউদ্দিন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অডিটোরিয়ামে উৎসবমুখর পরিবেশে কলেজটির সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের সাফল্য ও কলেজের দীর্ঘ পথচলা নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হাইকমিশনারকে এ বিশেষ উপহার প্রদান করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শিক্ষা উদ্যোক্তা আহমেদ মোত্তাকি। বিশেষ অতিথি ছিলেন মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. আব্দুল রহিম হাসান। লেভেল থ্রি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত মোট ১,৬৬৪ জন শিক্ষার্থীকে এ দিন সনদ দেওয়া হয়।

 

আহমেদ মোত্তাকি জানান, ২০০৬ সালে মাত্র ১৯ শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করা মিয়াঞ্জ কলেজ থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি স্নাতক উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানী মালেসহ বিভিন্ন দ্বীপে কলেজটির ১৭টি শাখা রয়েছে। ২০২২ সালে আড্ডু সিটিতে ‘স্কুল অব এগ্রিকালচারাল’ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমও শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ভবিষ্যতে কলেজটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর ও বাংলাদেশে একটি শাখা খোলার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাইকমিশনার ড. নাজমুল ইসলাম স্নাতক শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং মালদ্বীপের শিক্ষাখাতে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠাতা মোত্তাকিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মোত্তাকির অবদান বাংলাদেশের সফট পাওয়ার, পাওয়ার অব বন্ডিং, এবং দুই দেশের জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্কের এক উজ্জ্বল উদাহরণ।

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মালদ্বীপের শিক্ষা, সমাজ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশিদের ভূমিকা দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে। মিয়াঞ্জ কলেজ এখন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের বাস্তব দৃষ্টান্ত।

 

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে মনে করিয়ে দেন, বাংলাদেশ–মালদ্বীপ সম্পর্ক বহুদিনের, যা গড়ে উঠেছে অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক বন্ধন, সামুদ্রিক ইতিহাস ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে। দুই দেশের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।