Dhaka , Thursday, 26 February 2026
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ মালয়েশিয়ায় ধর্মঘট করায় ১৭২ বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরিচ্যুত

নির্মাতার স্ত্রী হয়ে চমকে দিলেন তামান্না ভাটিয়া

ভারতের কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার ভি. শান্তারাম–এর জীবনভিত্তিক নতুন বায়োপিকে যুক্ত হলেন ‘বাহুবলী’ অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। ছবিতে তিনি অভিনয় করবেন শান্তারামের দ্বিতীয় স্ত্রী ও প্রখ্যাত নায়িকা জয়শ্রী–এর চরিত্রে। নির্মাতারা ইতোমধ্যে তার প্রথম লুকের পোস্টার প্রকাশ করেছেন, যা দেখে দর্শক ও সমালোচকরা বেশ চমকে গেছেন।

 

জয়শ্রী ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক অবিস্মরণীয় মুখ। ‘ডক্টর কোটনিস কি অমর কাহানি’, ‘শকুন্তলা’, ‘চন্দ্ররাও মোরে’, ‘দহেজ’–এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছিলেন। শান্তারামের ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস।

 

তামান্নার নতুন পোস্টারে তাকে দেখা গেছে গোলাপি নউবারি শাড়িতে, যা পুরনো দিনের ভারতীয় সিনেমার আবহ তুলে ধরেছে।

 

এর আগে শান্তারামের চরিত্রে সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী–র প্রথম লুক প্রকাশ পায়, যা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। দুই তারকার উপস্থিতিতে ছবিটি নিয়ে আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

 

জয়শ্রী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে তামান্না বলেন,‘চলচ্চিত্র ইতিহাসের এত গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা বড় দায়িত্ব। জয়শ্রী শুধু একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রীই ছিলেন না—তার ব্যক্তিত্ব, শৈলী ও সৌন্দর্য ছিল অনন্য। শান্তারামের বিশাল উত্তরাধিকারের অংশ হতে পারা সত্যিই বিশেষ অনুভূতি।’

 

১৯০১ সালে জন্ম নেওয়া ভি. শান্তারাম ভারতীয় চলচ্চিত্রের পথিকৃৎদের একজন। প্রায় সাত দশক তিনি সিনেমায় কাজ করেন। ১৯২৯ সালে প্রভাত ফিল্ম কোম্পানি এবং ১৯৪২ সালে রাজকমল কলামন্দির প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ১৯৩২ সালে মারাঠির প্রথম সবাক ছবি ‘অযোধ্যেচা রাজা’ নির্মাণ করেন।
‘দুনিয়া না মানে’, ‘দো আঁখে বারাহ হাত’, ‘নবরং’–এর মতো চলচ্চিত্রে তিনি সামাজিক বার্তা, নন্দনশৈলী ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।

 

১৯৮৫ সালে তিনি পান ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার।

 

অভিজিৎ শিরীষ দেশপাণ্ডে পরিচালিত ‘ভি. শান্তারাম’ ছবিটি প্রযোজনা করছে রাজকমল এন্টারটেইনমেন্ট, ক্যামেরা টেক ফিল্মস ও রোরিং রিভার্স প্রোডাকশনস। প্রযোজক হিসেবে আছেন রাহুল কিরণ শান্তারাম, সুভাষ কালে ও সরিতা অশ্বিন ভার্ডে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা সৌদির

নির্মাতার স্ত্রী হয়ে চমকে দিলেন তামান্না ভাটিয়া

আপডেট টাইম : 02:36:18 pm, Wednesday, 10 December 2025

ভারতের কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার ভি. শান্তারাম–এর জীবনভিত্তিক নতুন বায়োপিকে যুক্ত হলেন ‘বাহুবলী’ অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। ছবিতে তিনি অভিনয় করবেন শান্তারামের দ্বিতীয় স্ত্রী ও প্রখ্যাত নায়িকা জয়শ্রী–এর চরিত্রে। নির্মাতারা ইতোমধ্যে তার প্রথম লুকের পোস্টার প্রকাশ করেছেন, যা দেখে দর্শক ও সমালোচকরা বেশ চমকে গেছেন।

 

জয়শ্রী ছিলেন ভারতীয় সিনেমার এক অবিস্মরণীয় মুখ। ‘ডক্টর কোটনিস কি অমর কাহানি’, ‘শকুন্তলা’, ‘চন্দ্ররাও মোরে’, ‘দহেজ’–এর মতো জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছিলেন। শান্তারামের ক্যারিয়ারজুড়ে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণার অন্যতম উৎস।

 

তামান্নার নতুন পোস্টারে তাকে দেখা গেছে গোলাপি নউবারি শাড়িতে, যা পুরনো দিনের ভারতীয় সিনেমার আবহ তুলে ধরেছে।

 

এর আগে শান্তারামের চরিত্রে সিদ্ধান্ত চতুর্বেদী–র প্রথম লুক প্রকাশ পায়, যা নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। দুই তারকার উপস্থিতিতে ছবিটি নিয়ে আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।

 

জয়শ্রী চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে তামান্না বলেন,‘চলচ্চিত্র ইতিহাসের এত গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা বড় দায়িত্ব। জয়শ্রী শুধু একজন প্রতিভাবান অভিনেত্রীই ছিলেন না—তার ব্যক্তিত্ব, শৈলী ও সৌন্দর্য ছিল অনন্য। শান্তারামের বিশাল উত্তরাধিকারের অংশ হতে পারা সত্যিই বিশেষ অনুভূতি।’

 

১৯০১ সালে জন্ম নেওয়া ভি. শান্তারাম ভারতীয় চলচ্চিত্রের পথিকৃৎদের একজন। প্রায় সাত দশক তিনি সিনেমায় কাজ করেন। ১৯২৯ সালে প্রভাত ফিল্ম কোম্পানি এবং ১৯৪২ সালে রাজকমল কলামন্দির প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ১৯৩২ সালে মারাঠির প্রথম সবাক ছবি ‘অযোধ্যেচা রাজা’ নির্মাণ করেন।
‘দুনিয়া না মানে’, ‘দো আঁখে বারাহ হাত’, ‘নবরং’–এর মতো চলচ্চিত্রে তিনি সামাজিক বার্তা, নন্দনশৈলী ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।

 

১৯৮৫ সালে তিনি পান ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার।

 

অভিজিৎ শিরীষ দেশপাণ্ডে পরিচালিত ‘ভি. শান্তারাম’ ছবিটি প্রযোজনা করছে রাজকমল এন্টারটেইনমেন্ট, ক্যামেরা টেক ফিল্মস ও রোরিং রিভার্স প্রোডাকশনস। প্রযোজক হিসেবে আছেন রাহুল কিরণ শান্তারাম, সুভাষ কালে ও সরিতা অশ্বিন ভার্ডে।