Dhaka , Wednesday, 23 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

এ বছর জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

রমজান মাসে বাংলাদেশে ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর সাধারণ মুসলমানদের জন্য সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) এই একই হার কার্যকর ছিল।

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এই হার ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। বৈঠকে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী মুসলমানরা তাদের সামর্থ্য অনুসারে গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনির—যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা প্রদান করতে পারবেন।

 

ফিতরার নির্ধারিত পরিমাণ:

 

গম ও আটা: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)

 

খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’)

 

বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা:

 

আটা/গম: ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা)

 

যব: ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা)

 

কিসমিস: ২,৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা)

 

খেজুর: ২,৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা)

 

পনির: ২,৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা)

 

মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক জানান, ফিতরার পণ্যের স্থানীয় বাজারমূল্য ভিন্ন হওয়ার কারণে স্থানীয় মূল্যের হিসাবেও ফিতরা প্রদান বৈধ হবে।

 

ফিতরা আদায়ের সময়, কোনো ব্যক্তি যদি নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপা সমপরিমাণ) সম্পদের মালিক হন, তবে ঈদের নামাজের আগে নিজের ও পরিবারের নির্ভরশীলদের জন্য ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব।

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

ফরাসি আভিজাত্যের রাজমুকুট ও পাথরে খোদাই করা সুরের প্রাসাদ

এ বছর জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা

আপডেট টাইম : 03:43:39 pm, Wednesday, 25 February 2026

রমজান মাসে বাংলাদেশে ফিতরার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর সাধারণ মুসলমানদের জন্য সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরও (২০২৫) এই একই হার কার্যকর ছিল।

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার এই হার ঘোষণা করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। বৈঠকে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

 

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী মুসলমানরা তাদের সামর্থ্য অনুসারে গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস বা পনির—যেকোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা প্রদান করতে পারবেন।

 

ফিতরার নির্ধারিত পরিমাণ:

 

গম ও আটা: ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)

 

খেজুর, কিসমিস, পনির ও যব: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম (এক সা’)

 

বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা:

 

আটা/গম: ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা)

 

যব: ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা)

 

কিসমিস: ২,৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা)

 

খেজুর: ২,৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা)

 

পনির: ২,৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা)

 

মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক জানান, ফিতরার পণ্যের স্থানীয় বাজারমূল্য ভিন্ন হওয়ার কারণে স্থানীয় মূল্যের হিসাবেও ফিতরা প্রদান বৈধ হবে।

 

ফিতরা আদায়ের সময়, কোনো ব্যক্তি যদি নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপা সমপরিমাণ) সম্পদের মালিক হন, তবে ঈদের নামাজের আগে নিজের ও পরিবারের নির্ভরশীলদের জন্য ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব।

 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২০ বা ২১ মার্চ মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।