Dhaka , Wednesday, 23 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলে শুভসূচনা ঢাকার

উদ্বোধনী ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর বেশ আত্মবিশ্বাসীই ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৯১ রানের লক্ষ্য অনায়াসে টপকে যাওয়ার পর তাদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে সেই জয় আসে মাত্র ৮ উইকেট হাতে রেখেই। তবে সেই ছন্দ খুব বেশিদিন ধরে রাখতে পারল না রাজশাহী। পরের ম্যাচেই তাদের থামিয়ে দিল ঢাকা ক্যাপিটালস।

 

এবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপ বড় পরীক্ষার মুখে পড়ে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে মাত্র ১৩২ রান। জবাবে ঢাকা ৫ উইকেট হাতে রেখেই ৭ বল বাকি থাকতে লক্ষ্য পূরণ করে নেয়।

 

ছোট লক্ষ্য হলেও রাজশাহী ম্যাচে টিকে ছিল ১৬ ওভার পর্যন্ত। তবে শেষ দিকে সাব্বির রহমান ও শামিম হোসেন পাটোয়ারীর ঝোড়ো ইনিংস ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সাব্বির ১০ বলে ২টি ছক্কা ও একটি চারে ২১ রান করেন, আর শামিম ১৩ বলে করেন ১৭ রান।

 

১৭তম ওভারে আসে ১৫ রান, পরের ওভারে যোগ হয় আরও ১২। ফলে শেষ ১২ বলে প্রয়োজন নেমে আসে মাত্র ৮ রানে। ১৯তম ওভারে সাব্বির রহমান একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ঢাকার জয় নিশ্চিত করেন।

 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী শুরুতেই ধাক্কা খায়। প্রথম বলেই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান আউট হন ইমাদ ওয়াসিমের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে। তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক শান্ত কিছুটা স্থিতি ফেরালেও বড় জুটি গড়তে পারেননি। তানজিদ ১৫ বলে ২০ রান করে ফিরলে চাপ আবার বাড়ে।

 

ইয়াসির আলীও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ১৫ বলে ১৩ রান করে তিনিও ইমাদের শিকার হন। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শান্ত এবারও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করছিলেন, তবে ২৮ বলে ৩৭ রান করে তাকেও ফেরান ইমাদ ওয়াসিম। এরপর এসএম মেহেরব রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন।

 

মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ধীরে ব্যাটিং করে ইনিংস এগিয়ে নিলেও রান তোলার গতি বাড়াতে পারেননি। মুশফিক ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হন, আর নাওয়াজ ২৬ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

 

ঢাকার বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ইমাদ ওয়াসিম। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে তিনি নেন ৩ উইকেট। নাসির হোসেন ২ উইকেট নেন ৩২ রান খরচে। এছাড়া সালমান মির্জা, জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট শিকার করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

ফরাসি আভিজাত্যের রাজমুকুট ও পাথরে খোদাই করা সুরের প্রাসাদ

রাজশাহীকে হারিয়ে বিপিএলে শুভসূচনা ঢাকার

আপডেট টাইম : 05:00:21 pm, Saturday, 27 December 2025

উদ্বোধনী ম্যাচে দাপুটে জয়ের পর বেশ আত্মবিশ্বাসীই ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৯১ রানের লক্ষ্য অনায়াসে টপকে যাওয়ার পর তাদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে সেই জয় আসে মাত্র ৮ উইকেট হাতে রেখেই। তবে সেই ছন্দ খুব বেশিদিন ধরে রাখতে পারল না রাজশাহী। পরের ম্যাচেই তাদের থামিয়ে দিল ঢাকা ক্যাপিটালস।

 

এবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপ বড় পরীক্ষার মুখে পড়ে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তারা সংগ্রহ করে মাত্র ১৩২ রান। জবাবে ঢাকা ৫ উইকেট হাতে রেখেই ৭ বল বাকি থাকতে লক্ষ্য পূরণ করে নেয়।

 

ছোট লক্ষ্য হলেও রাজশাহী ম্যাচে টিকে ছিল ১৬ ওভার পর্যন্ত। তবে শেষ দিকে সাব্বির রহমান ও শামিম হোসেন পাটোয়ারীর ঝোড়ো ইনিংস ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সাব্বির ১০ বলে ২টি ছক্কা ও একটি চারে ২১ রান করেন, আর শামিম ১৩ বলে করেন ১৭ রান।

 

১৭তম ওভারে আসে ১৫ রান, পরের ওভারে যোগ হয় আরও ১২। ফলে শেষ ১২ বলে প্রয়োজন নেমে আসে মাত্র ৮ রানে। ১৯তম ওভারে সাব্বির রহমান একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ঢাকার জয় নিশ্চিত করেন।

 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী শুরুতেই ধাক্কা খায়। প্রথম বলেই ওপেনার শাহিবজাদা ফারহান আউট হন ইমাদ ওয়াসিমের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে। তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক শান্ত কিছুটা স্থিতি ফেরালেও বড় জুটি গড়তে পারেননি। তানজিদ ১৫ বলে ২০ রান করে ফিরলে চাপ আবার বাড়ে।

 

ইয়াসির আলীও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ১৫ বলে ১৩ রান করে তিনিও ইমাদের শিকার হন। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শান্ত এবারও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করছিলেন, তবে ২৮ বলে ৩৭ রান করে তাকেও ফেরান ইমাদ ওয়াসিম। এরপর এসএম মেহেরব রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন।

 

মুশফিকুর রহিম ও মোহাম্মদ নাওয়াজ ধীরে ব্যাটিং করে ইনিংস এগিয়ে নিলেও রান তোলার গতি বাড়াতে পারেননি। মুশফিক ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হন, আর নাওয়াজ ২৬ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

 

ঢাকার বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ইমাদ ওয়াসিম। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে তিনি নেন ৩ উইকেট। নাসির হোসেন ২ উইকেট নেন ৩২ রান খরচে। এছাড়া সালমান মির্জা, জিয়াউর রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট শিকার করেন।