Dhaka , Thursday, 24 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সব মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা সব সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ফলে এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিক মাঠ পর্যায়ে কাভারেজ দিতে পারছেন না।

 

এর আগে ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে এবার মিডিয়া কাভারেজ থেকেও পুরোপুরি বাদ পড়লেন বাংলাদেশের সাংবাদিকরা।

 

আইসিসি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ও নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য আবেদন করেছিলেন। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে। বাংলাদেশ দল অংশ নিক বা না নিক—বিশ্বকাপের সামগ্রিক কাভারেজের জন্য অনেক সাংবাদিক ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।

 

তবে আইসিসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে জমা দেওয়া সব আবেদনই বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে টুর্নামেন্ট চলাকালে মাঠ থেকে কোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক রিপোর্ট বা লাইভ কাভারেজ দিতে পারবেন না।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর থেকে প্রতিটি ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। এমনকি জাতীয় দল বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সময়েও আন্তর্জাতিক আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের।

 

ক্রিকেট নিয়ে দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহের কারণে প্রায় প্রতিটি বড় মিডিয়া হাউজ বিশ্বকাপ কাভারেজকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সে প্রেক্ষাপটে এবারের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সব মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

আপডেট টাইম : 08:29:48 am, Tuesday, 27 January 2026

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা সব সাংবাদিকের মিডিয়া অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ফলে এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিক মাঠ পর্যায়ে কাভারেজ দিতে পারছেন না।

 

এর আগে ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া হয় এবং তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে এবার মিডিয়া কাভারেজ থেকেও পুরোপুরি বাদ পড়লেন বাংলাদেশের সাংবাদিকরা।

 

আইসিসি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ও নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য আবেদন করেছিলেন। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে। বাংলাদেশ দল অংশ নিক বা না নিক—বিশ্বকাপের সামগ্রিক কাভারেজের জন্য অনেক সাংবাদিক ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।

 

তবে আইসিসির সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে জমা দেওয়া সব আবেদনই বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে টুর্নামেন্ট চলাকালে মাঠ থেকে কোনো বাংলাদেশি সাংবাদিক রিপোর্ট বা লাইভ কাভারেজ দিতে পারবেন না।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের পর থেকে প্রতিটি ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। এমনকি জাতীয় দল বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার সময়েও আন্তর্জাতিক আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের।

 

ক্রিকেট নিয়ে দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহের কারণে প্রায় প্রতিটি বড় মিডিয়া হাউজ বিশ্বকাপ কাভারেজকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। সে প্রেক্ষাপটে এবারের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশি ক্রীড়া সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।