Dhaka , Saturday, 8 August 2026
শিরোনাম :
বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জাপানের সঙ্গে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য যুগান্তকারী: প্রধান উপদেষ্টা

জাপানের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিকে (ইপিএ) বাংলাদেশের জন্য ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

 

প্রেস সচিব বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই ইপিএ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই চুক্তিকে যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই চুক্তির ফলে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে।

 

তিনি জানান, ইপিএর আওতায় জাপানের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৪০০ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এর ফলে বাংলাদেশে নতুন কারখানা স্থাপন, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

 

শফিকুল আলম আরও বলেন, জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত এই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির জন্য একটি কার্যকর টেমপ্লেট বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করা সহজ হবে।

 

বৈশ্বিক বাণিজ্যে সুরক্ষাবাদের প্রবণতা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাভিত্তিক মুক্ত বাণিজ্যের প্রচলিত ধারা থেকে বিশ্ব বাণিজ্য এখন ভিন্ন পথে এগোচ্ছে। অনেক দেশ বাণিজ্যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং শুল্ক ও অশুল্ক দেয়াল গড়ে তুলছে।

 

এই প্রেক্ষাপটে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, এই ধরনের প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাক্সেস বাংলাদেশের বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং শূন্য বা স্বল্প শুল্কে বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করবে।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জাপানের সঙ্গে এই ইপিএ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের সঙ্গে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য যুগান্তকারী: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : 08:45:40 pm, Monday, 9 February 2026

জাপানের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তিকে (ইপিএ) বাংলাদেশের জন্য ‘যুগান্তকারী’ বলে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

 

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

 

প্রেস সচিব বলেন, গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই ইপিএ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই চুক্তিকে যুগান্তকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই চুক্তির ফলে জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে।

 

তিনি জানান, ইপিএর আওতায় জাপানের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৭ হাজার ৪০০ পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এর ফলে বাংলাদেশে নতুন কারখানা স্থাপন, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

 

শফিকুল আলম আরও বলেন, জাপানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত এই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির জন্য একটি কার্যকর টেমপ্লেট বা মানদণ্ড হিসেবে কাজ করবে। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করা সহজ হবে।

 

বৈশ্বিক বাণিজ্যে সুরক্ষাবাদের প্রবণতা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাভিত্তিক মুক্ত বাণিজ্যের প্রচলিত ধারা থেকে বিশ্ব বাণিজ্য এখন ভিন্ন পথে এগোচ্ছে। অনেক দেশ বাণিজ্যে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এবং শুল্ক ও অশুল্ক দেয়াল গড়ে তুলছে।

 

এই প্রেক্ষাপটে ইপিএ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, এই ধরনের প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাক্সেস বাংলাদেশের বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে এবং শূন্য বা স্বল্প শুল্কে বিদেশি বাজারে পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি করবে।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে জাপানের সঙ্গে এই ইপিএ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।