বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিকে দেশের রপ্তানিমুখী পোশাক খাতের জন্য ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।
মঙ্গলবার বিজিএমইএ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘ নয় মাসের নিবিড় আলোচনার ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের শীর্ষ সংগঠন হিসেবে বিজিএমইএ এই চুক্তিকে স্বাগত জানায়।
এই অর্জনের জন্য মার্কিন সরকারসহ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি চুক্তি প্রক্রিয়া গতিশীল করতে সহযোগিতার জন্য মার্কিন দূতাবাস ও ইউএসটিআর’কেও ধন্যবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর আরোপিত পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও কৃত্রিম তন্তু আমদানি করে উৎপাদিত পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো পাল্টা শুল্ক আরোপ করা হবে না।
বিজিএমইএ মনে করে, এর ফলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের প্রবেশাধিকার আরও সম্প্রসারিত হবে। তবে এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাতে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহারের যথাযথ মূল্যায়ন ও ট্রেসেবিলিটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি।
সংগঠনটির মতে, মার্কিন তুলা গুণগতভাবে উন্নত হলেও তুলনামূলক ব্যয়বহুল। স্থানীয় স্পিনাররা যদি সুতার প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নিশ্চিত করতে পারেন, তাহলে রপ্তানি বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য সুযোগ সৃষ্টি হবে।

প্রবাসীর কথা ডেস্ক 



















