Dhaka , Thursday, 26 February 2026
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ মালয়েশিয়ায় ধর্মঘট করায় ১৭২ বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরিচ্যুত

সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবি আদায়ের আহ্বান

সারা দেশের সব মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবি নামাজ অভিন্ন পদ্ধতিতে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ শাখা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই নিয়ম অনুসরণ করে খতমে তারাবি আদায় করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন ১ পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবি সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, দেশের অধিকাংশ মসজিদে নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের প্রচলন থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। এতে কর্মজীবী ও বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী মুসল্লিদের জন্য কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের মধ্যে অপূর্ণতার অনুভূতি তৈরি হয় এবং পূর্ণ খতমের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমনভাবে তিলাওয়াত ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রথম ছয় দিনে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ২১ পারা মিলিয়ে মোট ৩০ পারা তিলাওয়াত সম্পন্ন হয়। এতে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র শবেকদরে কোরআন খতম করা সম্ভব হবে।

 

এ লক্ষ্যে দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের নির্ধারিত সূরা ও আয়াত অনুযায়ী প্রতিদিন তিলাওয়াত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিদিনের তারাবিতে কোন সূরা ও আয়াত থেকে তিলাওয়াত করা হবে তার বিস্তারিত তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম তারাবি থেকে ২৭তম তারাবি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার শুরু থেকে সুরা নাস পর্যন্ত তিলাওয়াতের সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পূর্ণ ৩০ পারা সম্পন্ন করা যায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা সৌদির

সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবি আদায়ের আহ্বান

আপডেট টাইম : 11:22:28 pm, Tuesday, 17 February 2026

সারা দেশের সব মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবি নামাজ অভিন্ন পদ্ধতিতে আদায়ের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ শাখা।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই নিয়ম অনুসরণ করে খতমে তারাবি আদায় করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত পদ্ধতি অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন ১ পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবি সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, দেশের অধিকাংশ মসজিদে নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াতের প্রচলন থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা যায়। এতে কর্মজীবী ও বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী মুসল্লিদের জন্য কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অনেকের মধ্যে অপূর্ণতার অনুভূতি তৈরি হয় এবং পূর্ণ খতমের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 

এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এমনভাবে তিলাওয়াত ভাগ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রথম ছয় দিনে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ২১ পারা মিলিয়ে মোট ৩০ পারা তিলাওয়াত সম্পন্ন হয়। এতে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র শবেকদরে কোরআন খতম করা সম্ভব হবে।

 

এ লক্ষ্যে দেশের সব মসজিদের খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের নির্ধারিত সূরা ও আয়াত অনুযায়ী প্রতিদিন তিলাওয়াত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিদিনের তারাবিতে কোন সূরা ও আয়াত থেকে তিলাওয়াত করা হবে তার বিস্তারিত তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম তারাবি থেকে ২৭তম তারাবি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার শুরু থেকে সুরা নাস পর্যন্ত তিলাওয়াতের সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পূর্ণ ৩০ পারা সম্পন্ন করা যায়।