Dhaka , Thursday, 26 February 2026
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ মালয়েশিয়ায় ধর্মঘট করায় ১৭২ বাংলাদেশি শ্রমিক চাকরিচ্যুত

রোজা ভঙ্গের ১৯ কারণ

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র সময়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম। তবে অজ্ঞতা বা অসতর্কতার কারণে কখনও রোজা ভেঙে যেতে পারে বা মাকরুহ হতে পারে।

 

রোজা অবস্থায় স্বাভাবিক প্রবেশপথ (মুখ, নাক, কান, সামনের/পেছনের রাস্তা) দিয়ে কোনো বস্তু শরীরে প্রবেশ করানো, ইচ্ছাকৃত বমি করা বা দিনের বেলা সহবাস—এসব দ্বারা রোজা ভেঙে যায়।

 

রোজা ভঙ্গের ১৯টি কারণ

 

ইসলামী শরিয়াহ ও ফিকহ শাস্ত্রবিদদের মতে, নিচে উল্লেখিত ১৯টি কারণে রোজা ভেঙে যায় এবং পরবর্তীতে এই রোজার কাজা (এবং কিছু ক্ষেত্রে কাফফারা) আদায় করতে হয়:

১. ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা

রোজা রাখা অবস্থায় কেউ যদি জেনেশুনে কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। এতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়।

 

২. স্ত্রী সহবাস করা

রোজা অবস্থায় দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়। এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এর জন্য কাজা ও কাফফারা (৬০টি রোজা বা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো) উভয়ই জরুরি।

 

৩. ধুমপান বা হুক্কা পান করা

বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা বা শিশা যেকোনো ধরনের ধুমপান করলে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ ধোঁয়ার সাথে ক্ষুদ্র কণা শরীরে প্রবেশ করে।

 

৪. নাকে ওষুধ বা ড্রপ দেওয়া

নাকে ড্রপ বা ওষুধ দিলে যদি তা গলার ভেতরে চলে যায় বা পেটে পৌঁছে, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৫. কানে ওষুধ বা তেল দেওয়া

যদি কারো কানের পর্দা ফাটা থাকে এবং কানে ওষুধ বা তেল দিলে তা গলার ভেতরে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৬. ইনহেলার ব্যবহার করা (গ্যাসের সাথে ওষুধ থাকলে)

এজমা রোগীদের ইনহেলার ব্যবহারে যদি ওষুধের কণা গলার ভেতর প্রবেশ করে, তবে রোজা ভেঙে যাবে। (শুধুমাত্র অক্সিজেন বা বাতাস হলে ভাঙবে না)।

 

৭. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা

অনিচ্ছাকৃত বমি হলে রোজা ভাঙ্গে না। কিন্তু কেউ যদি গলায় আঙুল দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৮. বমি গিলে ফেলা

যদি অল্প বমি মুখে আসে এবং কেউ তা ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেলে, তাহলেও রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।

 

৯. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে যাওয়া

রোজা আছে—এ কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় কুলি করার সময় যদি ভুলবশত পানি গলার নিচে নেমে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। (তবে ভুলে খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙ্গে না)।

 

১০. দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার খাওয়া

দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার যদি ছোলার দানা বা তার চেয়ে বড় হয় এবং তা গিলে ফেলা হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

১১. মাড়ির রক্ত গিলে ফেলা

দাঁত বা মাড়ি থেকে রক্ত বের হয়ে যদি থুথুর চেয়ে রক্তের পরিমাণ বেশি হয় এবং তা গিলে ফেলা হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

১২. নস্য গ্রহণ করা

নাকে নস্য নেওয়া বা এমন কোনো ঘ্রাণ নেওয়া যাতে দৃশ্যমান ধোঁয়া বা কণা শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে, তাতে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৩. মলদ্বারে ওষুধ বা ডুস ব্যবহার করা

চিকিৎসার প্রয়োজনে মলদ্বারে ডুস (Enema) বা তরল ওষুধ প্রবেশ করালে তা পেটের ভেতরে চলে যায়, তাই এতে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৪. মাসিকের রক্তস্রাব (ঋতুস্রাব) শুরু হওয়া

রোজাদার নারীর যদি ইফতারের এক মুহূর্ত আগেও মাসিক বা হায়েজ শুরু হয়, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে।

 

১৫. সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাব (নিফাস)

সন্তান প্রসবের পর বা নিফাসের রক্ত দেখা দিলে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৬. হস্তমৈথুন বা ওমন কোনো উপায়ে বীর্যপাত করা

ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুন বা কামভাব নিয়ে স্পর্শের ফলে বীর্যপাত হলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে শুধু ভাবনার কারণে বীর্যপাত হলে ভাঙ্গে না (যদিও এটি গুনাহ)।

 

১৭. শক্ত কোনো বস্তু গিলে ফেলা

খাদ্য নয় এমন কোনো বস্তু (যেমন: পাথর, মাটি, কয়েন) গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।

 

১৮. সুবহে সাদিকের পর খাবার খাওয়া (ভুল সময়ে সেহরি)

রাত আছে মনে করে সুবহে সাদিকের (ফজরের ওয়াক্ত শুরুর) পর সেহরি খেলে রোজা হবে না।

 

১৯. সূর্যাস্তের আগে ইফতার করা (ভুল সময়ে ইফতার)

সূর্য ডুবে গেছে মনে করে ভুলবশত সূর্যাস্তের আগেই ইফতার করে ফেললে সেই রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।

 

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

 

ইনজেকশন/স্যালাইন কি রোজা ভাঙে?

সাধারণ পেইনকিলার/টিকা মাংসপেশি বা রগে নিলে রোজা ভাঙে না। তবে পুষ্টিদায়ক গ্লুকোজ/শক্তিবর্ধক স্যালাইন বিষয়ে আলেমদের মতভেদ আছে; সতর্কতার জন্য ইফতারের পর নেওয়া উত্তম।

 

টুথপেস্ট ব্যবহার?

পেস্ট গলায় গেলে রোজা ভেঙে যাবে; না গেলে মাকরুহ। দিনে মিসওয়াক করা সুন্নাহ ও নিরাপদ।

 

রক্ত দেওয়া/নেওয়া?

রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না (দুর্বলতার আশঙ্কায় মাকরুহ হতে পারে)। রক্ত গ্রহণ (ব্লাড ট্রান্সফিউশন) করলে রোজা ভেঙে যাবে।

 

ভুলে খেলে?

রোজা আছে ভুলে খেলে রোজা ভাঙে না; মনে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বিরত হতে হবে।

 

কখন শুধু কাজা, কখন কাফফারা?

 

শুধু কাজা: ভুলবশত/অনিচ্ছাকৃতভাবে ভাঙলে বা বৈধ চিকিৎসাজনিত কারণে ভাঙলে—১ রোজার বদলে ১ রোজা।

 

কাজা + কাফফারা: শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃত পানাহার বা সহবাস করলে—১ কাজা + ৬০ রোজা ধারাবাহিকভাবে বা ৬০ জন মিসকিনকে আহার।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

বাংলাদেশসহ ৪০ দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা সৌদির

রোজা ভঙ্গের ১৯ কারণ

আপডেট টাইম : 11:34:35 am, Sunday, 22 February 2026

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র সময়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকার নামই সিয়াম। তবে অজ্ঞতা বা অসতর্কতার কারণে কখনও রোজা ভেঙে যেতে পারে বা মাকরুহ হতে পারে।

 

রোজা অবস্থায় স্বাভাবিক প্রবেশপথ (মুখ, নাক, কান, সামনের/পেছনের রাস্তা) দিয়ে কোনো বস্তু শরীরে প্রবেশ করানো, ইচ্ছাকৃত বমি করা বা দিনের বেলা সহবাস—এসব দ্বারা রোজা ভেঙে যায়।

 

রোজা ভঙ্গের ১৯টি কারণ

 

ইসলামী শরিয়াহ ও ফিকহ শাস্ত্রবিদদের মতে, নিচে উল্লেখিত ১৯টি কারণে রোজা ভেঙে যায় এবং পরবর্তীতে এই রোজার কাজা (এবং কিছু ক্ষেত্রে কাফফারা) আদায় করতে হয়:

১. ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা

রোজা রাখা অবস্থায় কেউ যদি জেনেশুনে কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। এতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়।

 

২. স্ত্রী সহবাস করা

রোজা অবস্থায় দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়। এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এর জন্য কাজা ও কাফফারা (৬০টি রোজা বা ৬০ জন মিসকিনকে খাওয়ানো) উভয়ই জরুরি।

 

৩. ধুমপান বা হুক্কা পান করা

বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা বা শিশা যেকোনো ধরনের ধুমপান করলে রোজা ভেঙে যাবে। কারণ ধোঁয়ার সাথে ক্ষুদ্র কণা শরীরে প্রবেশ করে।

 

৪. নাকে ওষুধ বা ড্রপ দেওয়া

নাকে ড্রপ বা ওষুধ দিলে যদি তা গলার ভেতরে চলে যায় বা পেটে পৌঁছে, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৫. কানে ওষুধ বা তেল দেওয়া

যদি কারো কানের পর্দা ফাটা থাকে এবং কানে ওষুধ বা তেল দিলে তা গলার ভেতরে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৬. ইনহেলার ব্যবহার করা (গ্যাসের সাথে ওষুধ থাকলে)

এজমা রোগীদের ইনহেলার ব্যবহারে যদি ওষুধের কণা গলার ভেতর প্রবেশ করে, তবে রোজা ভেঙে যাবে। (শুধুমাত্র অক্সিজেন বা বাতাস হলে ভাঙবে না)।

 

৭. ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা

অনিচ্ছাকৃত বমি হলে রোজা ভাঙ্গে না। কিন্তু কেউ যদি গলায় আঙুল দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

৮. বমি গিলে ফেলা

যদি অল্প বমি মুখে আসে এবং কেউ তা ইচ্ছাকৃতভাবে গিলে ফেলে, তাহলেও রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।

 

৯. কুলি করার সময় পেটে পানি চলে যাওয়া

রোজা আছে—এ কথা স্মরণ থাকা অবস্থায় কুলি করার সময় যদি ভুলবশত পানি গলার নিচে নেমে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। (তবে ভুলে খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙ্গে না)।

 

১০. দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার খাওয়া

দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা খাবার যদি ছোলার দানা বা তার চেয়ে বড় হয় এবং তা গিলে ফেলা হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

১১. মাড়ির রক্ত গিলে ফেলা

দাঁত বা মাড়ি থেকে রক্ত বের হয়ে যদি থুথুর চেয়ে রক্তের পরিমাণ বেশি হয় এবং তা গিলে ফেলা হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।

 

১২. নস্য গ্রহণ করা

নাকে নস্য নেওয়া বা এমন কোনো ঘ্রাণ নেওয়া যাতে দৃশ্যমান ধোঁয়া বা কণা শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে, তাতে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৩. মলদ্বারে ওষুধ বা ডুস ব্যবহার করা

চিকিৎসার প্রয়োজনে মলদ্বারে ডুস (Enema) বা তরল ওষুধ প্রবেশ করালে তা পেটের ভেতরে চলে যায়, তাই এতে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৪. মাসিকের রক্তস্রাব (ঋতুস্রাব) শুরু হওয়া

রোজাদার নারীর যদি ইফতারের এক মুহূর্ত আগেও মাসিক বা হায়েজ শুরু হয়, তবে তার রোজা ভেঙে যাবে।

 

১৫. সন্তান প্রসব পরবর্তী রক্তস্রাব (নিফাস)

সন্তান প্রসবের পর বা নিফাসের রক্ত দেখা দিলে রোজা ভেঙে যায়।

 

১৬. হস্তমৈথুন বা ওমন কোনো উপায়ে বীর্যপাত করা

ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুন বা কামভাব নিয়ে স্পর্শের ফলে বীর্যপাত হলে রোজা ভেঙে যাবে। তবে শুধু ভাবনার কারণে বীর্যপাত হলে ভাঙ্গে না (যদিও এটি গুনাহ)।

 

১৭. শক্ত কোনো বস্তু গিলে ফেলা

খাদ্য নয় এমন কোনো বস্তু (যেমন: পাথর, মাটি, কয়েন) গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে শুধু কাজা ওয়াজিব হবে।

 

১৮. সুবহে সাদিকের পর খাবার খাওয়া (ভুল সময়ে সেহরি)

রাত আছে মনে করে সুবহে সাদিকের (ফজরের ওয়াক্ত শুরুর) পর সেহরি খেলে রোজা হবে না।

 

১৯. সূর্যাস্তের আগে ইফতার করা (ভুল সময়ে ইফতার)

সূর্য ডুবে গেছে মনে করে ভুলবশত সূর্যাস্তের আগেই ইফতার করে ফেললে সেই রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।

 

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

 

ইনজেকশন/স্যালাইন কি রোজা ভাঙে?

সাধারণ পেইনকিলার/টিকা মাংসপেশি বা রগে নিলে রোজা ভাঙে না। তবে পুষ্টিদায়ক গ্লুকোজ/শক্তিবর্ধক স্যালাইন বিষয়ে আলেমদের মতভেদ আছে; সতর্কতার জন্য ইফতারের পর নেওয়া উত্তম।

 

টুথপেস্ট ব্যবহার?

পেস্ট গলায় গেলে রোজা ভেঙে যাবে; না গেলে মাকরুহ। দিনে মিসওয়াক করা সুন্নাহ ও নিরাপদ।

 

রক্ত দেওয়া/নেওয়া?

রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না (দুর্বলতার আশঙ্কায় মাকরুহ হতে পারে)। রক্ত গ্রহণ (ব্লাড ট্রান্সফিউশন) করলে রোজা ভেঙে যাবে।

 

ভুলে খেলে?

রোজা আছে ভুলে খেলে রোজা ভাঙে না; মনে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বিরত হতে হবে।

 

কখন শুধু কাজা, কখন কাফফারা?

 

শুধু কাজা: ভুলবশত/অনিচ্ছাকৃতভাবে ভাঙলে বা বৈধ চিকিৎসাজনিত কারণে ভাঙলে—১ রোজার বদলে ১ রোজা।

 

কাজা + কাফফারা: শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃত পানাহার বা সহবাস করলে—১ কাজা + ৬০ রোজা ধারাবাহিকভাবে বা ৬০ জন মিসকিনকে আহার।