Dhaka , Thursday, 24 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

ভারত-ইসরায়েলের মধ্যে ১৭ চুক্তি সই

ভারত ও ইসরায়েল তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এ উন্নীত করেছে এবং ১৭টি চুক্তি সই করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সফরটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও আবেগঘন বলে উল্লেখ করেন।

 

দেশে ফেরার আগে মোদী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক গভীর আস্থা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এ সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্তকে তিনি ঐতিহাসিক বলে আখ্যা দেন। তাঁর ভাষ্য, এটি দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

 

এর আগে ২০১৭ সালে মোদীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক ইসরায়েল সফরে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্ব হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

 

নেতানিয়াহু বলেন, এটি একটি অসাধারণ সফর এবং তার সমাপ্তিও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। সময় স্বল্প হলেও সফরটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও আবেগপূর্ণ ছিল। দুই দেশের মধ্যে মত ও হৃদয়ের যে মিলন ঘটেছে, তা সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পর্যায়েও আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অন্যতম প্রধান অর্জন ছিল প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত। মোদী বলেন, প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের কেন্দ্রবিন্দু। এদিন ‘গুরুত্বপূর্ণ ও উদীয়মান প্রযুক্তি অংশীদারত্ব’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নতুন গতি পাবে।

 

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরের মূল গুরুত্ব ছিল প্রযুক্তি খাত—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, উদ্ভাবন গবেষণা ও স্টার্টআপ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ।

 

সামগ্রিকভাবে সফর থেকে ২৭টি ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি চুক্তি সই হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব দুই দেশের প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সমুদ্রপথে ইউরোপযাত্রা: ৯ মাসে ২ হাজার অভিবাসনপ্রত্যাশী মৃত-নিখোঁজ

ভারত-ইসরায়েলের মধ্যে ১৭ চুক্তি সই

আপডেট টাইম : 11:24:01 pm, Thursday, 26 February 2026

ভারত ও ইসরায়েল তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এ উন্নীত করেছে এবং ১৭টি চুক্তি সই করেছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বৈঠকের পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সফরটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও আবেগঘন বলে উল্লেখ করেন।

 

দেশে ফেরার আগে মোদী বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক গভীর আস্থা, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক সংবেদনশীলতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এ সম্পর্ককে ‘বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব’-এ উন্নীত করার সিদ্ধান্তকে তিনি ঐতিহাসিক বলে আখ্যা দেন। তাঁর ভাষ্য, এটি দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

 

এর আগে ২০১৭ সালে মোদীর প্রথম দ্বিপাক্ষিক ইসরায়েল সফরে দুই দেশ তাদের সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্ব হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

 

নেতানিয়াহু বলেন, এটি একটি অসাধারণ সফর এবং তার সমাপ্তিও ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। সময় স্বল্প হলেও সফরটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও আবেগপূর্ণ ছিল। দুই দেশের মধ্যে মত ও হৃদয়ের যে মিলন ঘটেছে, তা সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পর্যায়েও আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অন্যতম প্রধান অর্জন ছিল প্রযুক্তিখাতে সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত। মোদী বলেন, প্রযুক্তিই ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের কেন্দ্রবিন্দু। এদিন ‘গুরুত্বপূর্ণ ও উদীয়মান প্রযুক্তি অংশীদারত্ব’ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নতুন গতি পাবে।

 

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরের মূল গুরুত্ব ছিল প্রযুক্তি খাত—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, উদ্ভাবন গবেষণা ও স্টার্টআপ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ।

 

সামগ্রিকভাবে সফর থেকে ২৭টি ফলাফল অর্জিত হয়েছে, যার মধ্যে ১৭টি চুক্তি সই হয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই বিশেষ কৌশলগত অংশীদারত্ব দুই দেশের প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।