Dhaka , Wednesday, 23 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে ৭ হাজার অবৈধ প্রবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালিত হলেও, কোন দেশের কতজন আটক হয়েছেন তা জানানো হয়নি।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালানো হচ্ছে। যারা অভিবাসন আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

 

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য। এছাড়া অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত অবস্থানের অভিযোগে ১৫(১)(সি) ধারায় ১ হাজার ২৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী পাসের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে ৮০৬টি মামলা করা হয়েছে। অন্যান্য অপরাধে আরও ১৮৩টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

 

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিক রয়েছেন।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

ফরাসি আভিজাত্যের রাজমুকুট ও পাথরে খোদাই করা সুরের প্রাসাদ

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে ৭ হাজার অবৈধ প্রবাসী আটক

আপডেট টাইম : 11:07:14 pm, Thursday, 26 February 2026

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ প্রবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযান পরিচালিত হলেও, কোন দেশের কতজন আটক হয়েছেন তা জানানো হয়নি।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালানো হচ্ছে। যারা অভিবাসন আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

 

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য। এছাড়া অনুমোদিত সময়সীমার অতিরিক্ত অবস্থানের অভিযোগে ১৫(১)(সি) ধারায় ১ হাজার ২৫০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

এ ছাড়া ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী পাসের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে ৮০৬টি মামলা করা হয়েছে। অন্যান্য অপরাধে আরও ১৮৩টি মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

 

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের নাগরিক রয়েছেন।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

 

একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।