Dhaka , Saturday, 8 August 2026
শিরোনাম :
বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’ স্বল্প খরচে জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

স্থায়ী বসবাসের স্পন্সরশিপে নতুন সিদ্ধান্ত কানাডার

কানাডায় বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে স্থায়ীভাবে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকা অভিবাসীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দেশটির সরকার। প্যারেন্টস অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস (পিজিপি) কর্মসূচির আওতায় নতুন স্পন্সরশিপ আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি)।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক ঘোষণায় আইআরসিসি জানায়, কার্যকর ও টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থা বজায় রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আপাতত পিজিপি কর্মসূচির আওতায় নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

 

তবে ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলোর কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ২০২৫-২০২৭ সালের অভিবাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছর এ কর্মসূচির আওতায় ১৫ হাজার আবেদনকারীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আইআরসিসির ভাষ্য, নতুন আবেদন স্থগিত রাখার ফলে জমে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে এবং আবেদনকারীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন। বর্তমানে পিজিপি কর্মসূচিতে আবেদনকারীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন স্পন্সরশিপ আবেদন গ্রহণ কিংবা সম্ভাব্য স্পন্সরদের আবেদন করার আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

 

তবে পরিবার পুনর্মিলন কানাডার অভিবাসন নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এজন্য অভিবাসীদের বাবা-মা ও দাদা-দাদিরা সুপার ভিসা কর্মসূচির আওতায় কানাডায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই ভিসার মাধ্যমে তারা একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কানাডায় অবস্থান করতে পারবেন এবং ১০ বছর পর্যন্ত একাধিকবার দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

 

কানাডিয়ান প্রেস জানিয়েছে, ২০২০ সালে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৬০ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগছে।

 

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পিজিপি কর্মসূচির মাধ্যমে ২৭ হাজার ৩৩০ জন কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পান। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে ৫৩ হাজার ৬৯৫টি সুপার ভিসা আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থায়ী বসবাসের স্পন্সরশিপে নতুন সিদ্ধান্ত কানাডার

আপডেট টাইম : 08:56:20 pm, Thursday, 16 July 2026

কানাডায় বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে স্থায়ীভাবে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকা অভিবাসীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দেশটির সরকার। প্যারেন্টস অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস (পিজিপি) কর্মসূচির আওতায় নতুন স্পন্সরশিপ আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি)।

 

বুধবার (১৫ জুলাই) প্রকাশিত এক ঘোষণায় আইআরসিসি জানায়, কার্যকর ও টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থা বজায় রাখতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আপাতত পিজিপি কর্মসূচির আওতায় নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

 

তবে ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলোর কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ২০২৫-২০২৭ সালের অভিবাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছর এ কর্মসূচির আওতায় ১৫ হাজার আবেদনকারীকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আইআরসিসির ভাষ্য, নতুন আবেদন স্থগিত রাখার ফলে জমে থাকা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে এবং আবেদনকারীরা আরও উন্নত সেবা পাবেন। বর্তমানে পিজিপি কর্মসূচিতে আবেদনকারীর সংখ্যা বরাদ্দকৃত আসনের তুলনায় অনেক বেশি। তাই পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন স্পন্সরশিপ আবেদন গ্রহণ কিংবা সম্ভাব্য স্পন্সরদের আবেদন করার আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

 

তবে পরিবার পুনর্মিলন কানাডার অভিবাসন নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এজন্য অভিবাসীদের বাবা-মা ও দাদা-দাদিরা সুপার ভিসা কর্মসূচির আওতায় কানাডায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই ভিসার মাধ্যমে তারা একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কানাডায় অবস্থান করতে পারবেন এবং ১০ বছর পর্যন্ত একাধিকবার দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

 

কানাডিয়ান প্রেস জানিয়েছে, ২০২০ সালে চালু হওয়া এ কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৬০ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগছে।

 

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পিজিপি কর্মসূচির মাধ্যমে ২৭ হাজার ৩৩০ জন কানাডায় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পান। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ২০২৪ সালে ৫৩ হাজার ৬৯৫টি সুপার ভিসা আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম।