সৌদি আরবে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৭ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে ১২ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের এবং পাঁচজন নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার (৯ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। তবে নিহতদের সবার পরিচয় ও জেলার ভিত্তিতে সংখ্যা এখনো প্রশাসনিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১৭ বাংলাদেশির মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালি, ডুবাই, বৈঠাখালি, খনজোর, পারকসুন্দা ও দিঘিরপাড় এলাকার কয়েকজন রয়েছেন। এছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা গ্রামের কয়েকজনও নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সৌদি আরবে একই কারখানায় কর্মরত এবং বর্তমানে ছুটিতে দেশে থাকা আত্রাই উপজেলার মহোনঘোষ গ্রামের জহরুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডগোহালি গ্রামের গুফফার প্রামাণিক ও তার দুই ছেলে মহুন প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক রয়েছেন।
এছাড়া জান্নারের ছেলে রুবেল হোসেন, ফজলুর ছেলে কলি প্রামাণিক, সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের ময়েন শেখের ছেলে ফরিদ শেখ, বিশা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের মৃত বাদলের ছেলে সুমন, চঞ্চলের ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, মৃত রুহুলের ছেলে সুমন এবং পাচুপুর ইউনিয়নের পারকসুন্দা গ্রামের জলিল নিহতদের তালিকায় রয়েছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার তথ্য তিনি পেয়েছেন। তবে নওগাঁসহ অন্যান্য জেলার কতজন এ ঘটনায় মারা গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য যাচাইয়ের পর সোমবার সকালে নিহতদের সংখ্যা ও পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে।

প্রবাস ডেস্ক 


















