Dhaka , Sunday, 27 September 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া

ফসল কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বিদেশি কর্মীদের ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির কারণে কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট তৈরি হওয়ায় জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছে দেশটির কৃষি খাতের সংগঠন গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ)।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিকারক। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটিতে এসব ফসল কাটার মৌসুম শুরু হবে। ফসল সংগ্রহের এই সময়ে বিভিন্ন খামার অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

 

জিপিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বছরে অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নীতি গ্রহণ করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এর ফলে কৃষি খাতে সম্ভাব্য শ্রমিক সংকট নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সংগঠনটি। আলোচনার পর জরুরি শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে—এমন আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে কৃষি খাতের সংগঠনগুলোকে।

 

জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি সমস্যার একটি সম্ভাব্য সমাধান। তবে এই ব্যবস্থা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, এর আওতায় কতজনের ভিসা দ্রুত প্রক্রিয়া করা সম্ভব হবে এবং দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

 

তিনি বলেন, নতুন প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, তা তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। একই সঙ্গে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিক দ্রুত খামারগুলোতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থাটি কার্যকর হবে বলে আশা করছেন তারা।

 

সরকারের নতুন ব্যবস্থায় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য তিন মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও সীমিত করা হয়েছে।

 

কৃষি খাতের সংগঠনগুলোর ভাষ্য, খামার ও গ্রামীণ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বহুল ব্যবহৃত ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার আবেদন নিষ্পত্তিতে বর্তমানে কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগছে। এতে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

জরুরি ভিত্তিতে কৃষি ভিসা দেবে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট টাইম : 10:24:49 am, Saturday, 26 September 2026

ফসল কাটার মৌসুমে শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বিদেশি কর্মীদের ভিসা আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। অভিবাসন নীতিতে কড়াকড়ির কারণে কৃষি খাতে শ্রমিক সংকট তৈরি হওয়ায় জরুরি প্রয়োজনের ভিত্তিতে ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছে দেশটির কৃষি খাতের সংগঠন গ্রেইন প্রডিউসারস অস্ট্রেলিয়া (জিপিএ)।

 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিকারক। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটিতে এসব ফসল কাটার মৌসুম শুরু হবে। ফসল সংগ্রহের এই সময়ে বিভিন্ন খামার অস্থায়ী বিদেশি শ্রমিকের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে।

 

জিপিএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বছরে অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার নীতি গ্রহণ করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এর ফলে কৃষি খাতে সম্ভাব্য শ্রমিক সংকট নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সংগঠনটি। আলোচনার পর জরুরি শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে—এমন আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে কৃষি খাতের সংগঠনগুলোকে।

 

জিপিএর চেয়ারম্যান ম্যাথিউ ম্যাডেন সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি সমস্যার একটি সম্ভাব্য সমাধান। তবে এই ব্যবস্থা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, এর আওতায় কতজনের ভিসা দ্রুত প্রক্রিয়া করা সম্ভব হবে এবং দ্রুত অনুমোদন নিশ্চিত করা যাবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

 

তিনি বলেন, নতুন প্রক্রিয়াটি কীভাবে কাজ করে, তা তারা পর্যবেক্ষণ করবেন। একই সঙ্গে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিক দ্রুত খামারগুলোতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে নতুন ব্যবস্থাটি কার্যকর হবে বলে আশা করছেন তারা।

 

সরকারের নতুন ব্যবস্থায় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য তিন মাসের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও সীমিত করা হয়েছে।

 

কৃষি খাতের সংগঠনগুলোর ভাষ্য, খামার ও গ্রামীণ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বহুল ব্যবহৃত ‘ওয়ার্কিং হলিডে মেকার’ ভিসার আবেদন নিষ্পত্তিতে বর্তমানে কয়েক দিন থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগছে। এতে ফসল কাটার মৌসুমে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।