Dhaka , Friday, 9 October 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

ফ্রি ভিসা নিয়ে সতর্ক করল জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস

প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীর কাছে অতি পরিচিত শব্দ তথাকথিত ‘ফ্রি ভিসা’। তবে নামে ‘ফ্রি’ হলেও এটি আসলে মোটেও বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। ফ্রি ভিসার প্রতারণা থেকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জর্ডানের আম্মনে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস।

 

বুধবার (৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে— ভিসা প্রসেসিং করার ক্ষেত্রে ভিসাপ্রার্থীর কোন ধরণের খরচ হয় না, সব খরচই কফিল বহন করে— প্রচলিতভাবে তাকেই ফ্রি ভিসা বলে। সত্যিকার অর্থে ফ্রি ভিসা বলে কিছুই নাই। কারণ প্রতিটি ভিসারই কম হোক বা বেশি হোক কিছু না কিছু প্রসেসিং খরচ আছে।

 

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি নিরীহ জনগণকে বোঝায় যে ফ্রি ভিসা হলো এমন একটা ভিসা যার কোন কফিল থাকে না, ফলে যেখানে খুশি সেখানে কাজ করা যায়, অনেক বেশি আয় করা যায়। তাদের এ আশ্বাস বড় রকমের প্রতারণা। কফিল না থাকলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা কে দিবে, মাস শেষে বেতন কে দিবে? আকামা শেষ হলে তা কে নবায়ন করবে।

 

সুনির্দিষ্ট কাজের ভিসায় এলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা থাকে, তেমনই মাস শেষে বেতন/ ওভার টাইমেরও নিশ্চয়তা থাকে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আকামার মেয়াদ শেষ হলে কফিলই দায়িত্ব নিয়ে তা নবায়ন করেন। কথিত ফ্রি ভিসা এলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা, মাস শেষে বেতন আর আকামা নবায়ন করার কোন নিশ্চয়তা থাকে না। কেননা, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে কফিল ছাড়া আকামা নবায়নের কোন সুযোগই নাই। কথিত ফ্রি ভিসায় এলে আকামা নবায়নের জন্য অবশ্যই একজন কফিল খুঁজে বের করতে হবে কফিল এ জন্য বাড়তি টাকা দাবি করবে।

 

প্রতি মাসে আমরা অসংখ্য কল পাই যে আকামা না থাকায় তারা কাজ করতে পারছে না আকামা করার জন্য কফিল খুঁজে পাচ্ছে না, পেলেও ৪/৫ মাসের বেতন দাবি করছে, টাকা নিয়েও আকামা নবায়ন করে দিচ্ছে না। আকামা না থাকায় পুলিশে ধরছে, জেলে দিচ্ছে, দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে— এ রকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। তিন বছরের চুক্তির কথা বলে ৩ মাসের ভিজিট ভিসা দিয়ে জর্ডানে এনে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। কথিত ফ্রি ভিসায় এসে দিন মজুরে পরিণত না হওয়ার কথা জানানো হয় বিবৃতিতে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

ফ্রি ভিসা নিয়ে সতর্ক করল জর্ডানের বাংলাদেশ দূতাবাস

আপডেট টাইম : 03:41:03 pm, Thursday, 8 October 2026

প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীর কাছে অতি পরিচিত শব্দ তথাকথিত ‘ফ্রি ভিসা’। তবে নামে ‘ফ্রি’ হলেও এটি আসলে মোটেও বিনামূল্যে পাওয়া যায় না। ফ্রি ভিসার প্রতারণা থেকে সাবধান থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জর্ডানের আম্মনে অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাস।

 

বুধবার (৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে— ভিসা প্রসেসিং করার ক্ষেত্রে ভিসাপ্রার্থীর কোন ধরণের খরচ হয় না, সব খরচই কফিল বহন করে— প্রচলিতভাবে তাকেই ফ্রি ভিসা বলে। সত্যিকার অর্থে ফ্রি ভিসা বলে কিছুই নাই। কারণ প্রতিটি ভিসারই কম হোক বা বেশি হোক কিছু না কিছু প্রসেসিং খরচ আছে।

 

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি নিরীহ জনগণকে বোঝায় যে ফ্রি ভিসা হলো এমন একটা ভিসা যার কোন কফিল থাকে না, ফলে যেখানে খুশি সেখানে কাজ করা যায়, অনেক বেশি আয় করা যায়। তাদের এ আশ্বাস বড় রকমের প্রতারণা। কফিল না থাকলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা কে দিবে, মাস শেষে বেতন কে দিবে? আকামা শেষ হলে তা কে নবায়ন করবে।

 

সুনির্দিষ্ট কাজের ভিসায় এলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা থাকে, তেমনই মাস শেষে বেতন/ ওভার টাইমেরও নিশ্চয়তা থাকে উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আকামার মেয়াদ শেষ হলে কফিলই দায়িত্ব নিয়ে তা নবায়ন করেন। কথিত ফ্রি ভিসা এলে সারা মাস কাজের নিশ্চয়তা, মাস শেষে বেতন আর আকামা নবায়ন করার কোন নিশ্চয়তা থাকে না। কেননা, সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যে কফিল ছাড়া আকামা নবায়নের কোন সুযোগই নাই। কথিত ফ্রি ভিসায় এলে আকামা নবায়নের জন্য অবশ্যই একজন কফিল খুঁজে বের করতে হবে কফিল এ জন্য বাড়তি টাকা দাবি করবে।

 

প্রতি মাসে আমরা অসংখ্য কল পাই যে আকামা না থাকায় তারা কাজ করতে পারছে না আকামা করার জন্য কফিল খুঁজে পাচ্ছে না, পেলেও ৪/৫ মাসের বেতন দাবি করছে, টাকা নিয়েও আকামা নবায়ন করে দিচ্ছে না। আকামা না থাকায় পুলিশে ধরছে, জেলে দিচ্ছে, দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে— এ রকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। তিন বছরের চুক্তির কথা বলে ৩ মাসের ভিজিট ভিসা দিয়ে জর্ডানে এনে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। কথিত ফ্রি ভিসায় এসে দিন মজুরে পরিণত না হওয়ার কথা জানানো হয় বিবৃতিতে।