Dhaka , Tuesday, 6 October 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

ইতালিতে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ, আবেদন শুরু চলতি মাসেই

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। কৃষি, পর্যটন, নির্মাণ ও পারিবারিক সহায়তা (কেয়ারগিভার) খাতের জন্য এই নতুন কোটা ও আবেদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।

 

সম্প্রতি ইতালির স্বরাষ্ট্র, শ্রম, কৃষি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ সার্কুলারে কর্মী প্রবেশের কোটা, আবেদন এবং যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হয়েছে।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ৭ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টালে আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে। তবে ফরম পূরণ করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে না; নির্ধারিত ‘ক্লিক ডে’-তে তা চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

 

খাতভিত্তিক ‘ক্লিক ডে’র তারিখসমূহ

কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মী: ১২ জানুয়ারি ২০২৭। পর্যটন খাতের মৌসুমি কর্মী: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। অমৌসুমি কর্মী: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। পারিবারিক সহায়তা খাতের কর্মী: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।

 

২০২৭ সালের মোট কোটার মধ্যে কৃষি ও পর্যটন খাতের মৌসুমি কর্মীদের জন্য রাখা হয়েছে ৮৯ হাজার কোটা। এছাড়া অমৌসুমি চাকরির জন্য রয়েছে ৭৬ হাজার ২০০টি এবং স্বনিয়োজিত কর্মীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৫০টি কোটা।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত কোটায় আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। তবে শুধু কোটা থাকলেই ভিসা নিশ্চিত হবে না। ইতালিতে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং ‘নুল্লা ওস্তা’সহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

 

ইতালিতে বৈধভাবে কাজের সুযোগ প্রত্যাশী বিদেশি নাগরিকদের জন্য এই কর্মসূচি একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়, খাতভিত্তিক কোটা ও প্রয়োজনীয় শর্ত কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

ইতালিতে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ, আবেদন শুরু চলতি মাসেই

আপডেট টাইম : 10:35:30 pm, Monday, 5 October 2026

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দেশগুলো থেকে ২০২৭ সালে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ জন বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইতালি। কৃষি, পর্যটন, নির্মাণ ও পারিবারিক সহায়তা (কেয়ারগিভার) খাতের জন্য এই নতুন কোটা ও আবেদন প্রক্রিয়া প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার।

 

সম্প্রতি ইতালির স্বরাষ্ট্র, শ্রম, কৃষি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যৌথ সার্কুলারে কর্মী প্রবেশের কোটা, আবেদন এবং যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হয়েছে।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ২৩ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ৭ ডিসেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টালে আবেদন ফরম পূরণ করা যাবে। তবে ফরম পূরণ করলেই আবেদন সম্পন্ন হবে না; নির্ধারিত ‘ক্লিক ডে’-তে তা চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

 

খাতভিত্তিক ‘ক্লিক ডে’র তারিখসমূহ

কৃষি খাতের মৌসুমি কর্মী: ১২ জানুয়ারি ২০২৭। পর্যটন খাতের মৌসুমি কর্মী: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। অমৌসুমি কর্মী: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। পারিবারিক সহায়তা খাতের কর্মী: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।

 

২০২৭ সালের মোট কোটার মধ্যে কৃষি ও পর্যটন খাতের মৌসুমি কর্মীদের জন্য রাখা হয়েছে ৮৯ হাজার কোটা। এছাড়া অমৌসুমি চাকরির জন্য রয়েছে ৭৬ হাজার ২০০টি এবং স্বনিয়োজিত কর্মীদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৫০টি কোটা।

 

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত কোটায় আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। তবে শুধু কোটা থাকলেই ভিসা নিশ্চিত হবে না। ইতালিতে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা অথবা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং ‘নুল্লা ওস্তা’সহ প্রয়োজনীয় অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

 

ইতালিতে বৈধভাবে কাজের সুযোগ প্রত্যাশী বিদেশি নাগরিকদের জন্য এই কর্মসূচি একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। তবে আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়, খাতভিত্তিক কোটা ও প্রয়োজনীয় শর্ত কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।