Dhaka , Friday, 2 October 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৭৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার দেশে এসেছে। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ।

 

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮৬ কোটি মার্কিন ডলার এবং আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। এই আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

 

রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের নানা উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ হওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। ফলে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

 

এদিকে গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

আপডেট টাইম : 09:55:25 pm, Thursday, 1 October 2026

সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২৭৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে)।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ মাসিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার দেশে এসেছে। আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৬৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সে হিসাবে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৩ শতাংশ।

 

চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮৬ কোটি মার্কিন ডলার এবং আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ৮৫৯ কোটি ১০ লাখ ডলার। এই আয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে এসেছিল ৭৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

 

রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশে ডলারের সরবরাহ বাড়ে, যা আমদানি ব্যয় মেটানো ও বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের নানা উদ্যোগ, প্রবাসীদের জন্য প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং সেবা সহজ হওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। ফলে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

 

এদিকে গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-জুন) দেশে বৈধ চ্যানেলে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি।