চলতি বছরের শুরু থেকে ২৭ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছেছেন ২৬ হাজার ১৯২ জন অভিবাসী। তাঁদের মধ্যে ৬ হাজার ৩৯ জন বাংলাদেশের নাগরিক, যা মোট অভিবাসীর ২৩ দশমিক ১ শতাংশ।
ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত নথিভুক্ত অভিবাসীদের তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব প্রকাশ করা হয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছিলেন ৫৮ হাজার ২৭৩ জন অভিবাসী। ২০২৪ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৫৫ হাজার ৪৮। অর্থাৎ, আগের দুই বছরের তুলনায় চলতি বছরে সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম ২৭ দিনে সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছেছেন ৩ হাজার ৩০১ জন। গত বছরের পুরো অক্টোবর মাসে এ সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৯৩৮। আর ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে ইতালির উপকূলে পৌঁছেছিলেন ৫ হাজার ৭২২ জন।
জাতীয়তাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালে সমুদ্রপথে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশের নাগরিক। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আলজেরিয়া। দেশটির ৩ হাজার ৪২০ জন নাগরিক ইতালিতে পৌঁছেছেন, যা মোট অভিবাসীর ১৩ দশমিক ১ শতাংশ।
এ ছাড়া সোমালিয়ার ২ হাজার ৯৯৩ জন (১১ দশমিক ২ শতাংশ), ইরিত্রিয়ার ২ হাজার ৫৪১ জন (৯ দশমিক ৭ শতাংশ), সুদানের ১ হাজার ৯৭২ জন (৭ দশমিক ৫ শতাংশ) এবং পাকিস্তানের ১ হাজার ৬৬০ জন (৬ দশমিক ৩ শতাংশ) নাগরিক ইতালিতে পৌঁছেছেন।
তালিকায় আরও রয়েছে মিশরের ১ হাজার ৫০৪ জন (৫ দশমিক ৭ শতাংশ), তিউনিসিয়ার ১ হাজার ৩৯২ জন (৫ দশমিক ৩ শতাংশ), মালির ৪৮৩ জন (১ দশমিক ৮ শতাংশ), ইথিওপিয়ার ৪৬৮ জন (১ দশমিক ৮ শতাংশ), নাইজেরিয়ার ৩৯৩ জন (১ দশমিক ৫ শতাংশ), আইভরি কোস্টের ৩৬১ জন (১ দশমিক ৪ শতাংশ), দক্ষিণ সুদানের ৩৩২ জন (১ দশমিক ৩ শতাংশ), ইরানের ৩২১ জন (১ দশমিক ২ শতাংশ) এবং গিনির ৩০৮ জন (১ দশমিক ২ শতাংশ) নাগরিক।
বাকি ২ হাজার ৫৫ জন অভিবাসী, যা মোট সংখ্যার ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, অন্যান্য দেশের নাগরিক অথবা তাঁদের জাতীয়তা শনাক্তের প্রক্রিয়া এখনো চলছে। ইতালির উপকূলে পৌঁছানোর সময় অভিবাসীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের জাতীয়তা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস

প্রবাস ডেস্ক 

















