Dhaka , Friday, 30 October 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

বাংলাদেশিসহ ১৬ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠাল স্পেন

স্পেনের ছিটমহল সেউটায় আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর বাংলাদেশিসহ ১৬ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠিয়েছে স্পেন। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। নিজ নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে তাঁদের মরক্কোয় পাঠানো হয়েছে।

 

চলতি বছরের জুলাইয়ে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর সীমান্ত পেরিয়ে সেউটায় প্রবেশের ঘটনার পর ছিটমহলটি থেকে এ ধরনের প্রথম বহিষ্কারের ঘটনা এটি।

 

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মরক্কো ওই অভিবাসীদের গ্রহণ করতে সম্মত হওয়ায় তাঁদের দেশটিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাঁরা এখনো মরক্কোর ভূখণ্ডে রয়েছেন। তবে বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সংখ্যা ও জাতীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি মন্ত্রণালয়।

 

সেউটায় কাজ করা অভিবাসী অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৬ জনের মধ্যে সেনেগাল, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন, ক্যামেরুন ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

 

বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) অভিযোগ, অভিবাসীদের মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তাঝুঁকি এবং দেশটিতে অভিবাসীদের সঙ্গে আচরণের বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

 

সংগঠনগুলোর মতে, এ পদক্ষেপ স্পেনের বামপন্থি সরকারের ঘোষিত মূল্যবোধের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষক ভার্জিনিয়া আলভারেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “স্পেনের অবস্থান ভণ্ডামিপূর্ণ।”

 

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রয়টার্স যোগাযোগ করলেও মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কোনো জবাব দেয়নি। তৃতীয় দেশের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে আইওএম মরক্কোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করে।

 

স্পেনের গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে অভিবাসীরা শুধু সাঁতরে সেউটায় প্রবেশ করেননি। উত্তর মরক্কো থেকে তাঁদের যাত্রা সহজ করতে একটি সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Rahman

মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

বাংলাদেশিসহ ১৬ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠাল স্পেন

আপডেট টাইম : 10:33:49 am, Thursday, 29 October 2026

স্পেনের ছিটমহল সেউটায় আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর বাংলাদেশিসহ ১৬ অভিবাসীকে মরক্কোয় ফেরত পাঠিয়েছে স্পেন। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে সাব-সাহারান আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন। নিজ নিজ দেশে ফেরত না পাঠিয়ে তাঁদের মরক্কোয় পাঠানো হয়েছে।

 

চলতি বছরের জুলাইয়ে বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর সীমান্ত পেরিয়ে সেউটায় প্রবেশের ঘটনার পর ছিটমহলটি থেকে এ ধরনের প্রথম বহিষ্কারের ঘটনা এটি।

 

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মরক্কো ওই অভিবাসীদের গ্রহণ করতে সম্মত হওয়ায় তাঁদের দেশটিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাঁরা এখনো মরক্কোর ভূখণ্ডে রয়েছেন। তবে বহিষ্কৃত ব্যক্তিদের সংখ্যা ও জাতীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি মন্ত্রণালয়।

 

সেউটায় কাজ করা অভিবাসী অধিকার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৬ জনের মধ্যে সেনেগাল, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন, ক্যামেরুন ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

 

বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) অভিযোগ, অভিবাসীদের মরক্কোয় ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তাঝুঁকি এবং দেশটিতে অভিবাসীদের সঙ্গে আচরণের বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।

 

সংগঠনগুলোর মতে, এ পদক্ষেপ স্পেনের বামপন্থি সরকারের ঘোষিত মূল্যবোধের সঙ্গেও সাংঘর্ষিক। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষক ভার্জিনিয়া আলভারেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “স্পেনের অবস্থান ভণ্ডামিপূর্ণ।”

 

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে রয়টার্স যোগাযোগ করলেও মরক্কোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) কোনো জবাব দেয়নি। তৃতীয় দেশের নাগরিকদের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে প্রত্যাবাসন কর্মসূচিতে আইওএম মরক্কোর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করে।

 

স্পেনের গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, জুলাইয়ে অভিবাসীরা শুধু সাঁতরে সেউটায় প্রবেশ করেননি। উত্তর মরক্কো থেকে তাঁদের যাত্রা সহজ করতে একটি সহায়তাকারী নেটওয়ার্ক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল।