Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি চলছে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে করা মামলার তৃতীয় দিনের চূড়ান্ত আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে নাগরিক সংগঠন সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে তার আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। তিনি আপিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং আসন্ন ১৪তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তা কার্যকর করার আবেদন জানান।

 

বুধবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “রায়ের মাধ্যমে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসে, তবে কি তা সংসদের সাংবিধানিক ক্ষমতাকে খর্ব করবে?” এ সময় রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলে সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের আওতায় পড়বে কি না—এ বিষয়ে রায়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) একই বেঞ্চে এই মামলার প্রথম দিনের শুনানি হয়। সেদিন সকালে ড. শরীফ ভূঁইয়া বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। পরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে অংশ নেন।

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে দাখিল করা আবেদনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ২৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ মোট পাঁচজন এ বিষয়ে পৃথক আপিল করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯৮ সালে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানসঙ্গত ঘোষণা দেয়।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি চলছে

আপডেট টাইম : 01:51:19 pm, Thursday, 23 October 2025

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে করা মামলার তৃতীয় দিনের চূড়ান্ত আপিল শুনানি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এর আগে বুধবার (২২ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে নাগরিক সংগঠন সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে তার আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেন। তিনি আপিলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল এবং আসন্ন ১৪তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে তা কার্যকর করার আবেদন জানান।

 

বুধবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “রায়ের মাধ্যমে যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসে, তবে কি তা সংসদের সাংবিধানিক ক্ষমতাকে খর্ব করবে?” এ সময় রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে এলে সেটি অন্তর্বর্তী সরকারের আওতায় পড়বে কি না—এ বিষয়ে রায়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকা প্রয়োজন।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) একই বেঞ্চে এই মামলার প্রথম দিনের শুনানি হয়। সেদিন সকালে ড. শরীফ ভূঁইয়া বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। পরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরাও শুনানিতে অংশ নেন।

 

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে দাখিল করা আবেদনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ২৭ আগস্ট আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ মোট পাঁচজন এ বিষয়ে পৃথক আপিল করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯৮ সালে এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ওই রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে সংবিধানসঙ্গত ঘোষণা দেয়।