Dhaka , Friday, 6 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

বিজয়ের মাসের ৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৭৭১০ কোটি টাকার

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও বজায় রয়েছে। মাসের প্রথম ছয় দিনে প্রায় ৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার প্রবাস আয় দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে যার পরিমাণ ৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরের প্রথম ছয় দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছে প্রায় ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৪৬৪ কোটি টাকা।

 

এর আগে গত বছর রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে এক মাসে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারে প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহ এবং এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

 

এদিকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের (জুলাই থেকে ৬ ডিসেম্বর) মধ্যে দেশে এসেছে ১ হাজার ৩৬৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৯৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার; প্রবৃদ্ধি ১৬.৫ শতাংশ।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল—জুলাই: ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্ট: ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর: ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবর: ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বর: ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার ।

 

২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চে রেমিট্যান্স সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছায়—যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

 

২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল- জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বর ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবর ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বর ২২০ কোটি, ডিসেম্বর ২৬৪ কোটি, জানুয়ারি ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারি ২৫৩ কোটি, মার্চ ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য ৫১ মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ

বিজয়ের মাসের ৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৭৭১০ কোটি টাকার

আপডেট টাইম : 10:39:19 pm, Sunday, 7 December 2025

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেও বজায় রয়েছে। মাসের প্রথম ছয় দিনে প্রায় ৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার প্রবাস আয় দেশে এসেছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে যার পরিমাণ ৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকার বেশি।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরের প্রথম ছয় দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছে প্রায় ৫৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ৪৬৪ কোটি টাকা।

 

এর আগে গত বছর রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে এক মাসে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহারে প্রণোদনা, বৈধ পথে টাকা পাঠাতে উৎসাহ এবং এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

 

এদিকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের (জুলাই থেকে ৬ ডিসেম্বর) মধ্যে দেশে এসেছে ১ হাজার ৩৬৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৯৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার; প্রবৃদ্ধি ১৬.৫ শতাংশ।

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল—জুলাই: ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্ট: ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর: ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, অক্টোবর: ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, নভেম্বর: ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার ।

 

২০২৪–২৫ অর্থবছরের মার্চে রেমিট্যান্স সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছায়—যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড। পুরো অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স দাঁড়ায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬.৮ শতাংশ বেশি।

 

২০২৩–২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ছিল ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরে মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল- জুলাই ১৯১.৩৭ কোটি, আগস্ট ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বর ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবর ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বর ২২০ কোটি, ডিসেম্বর ২৬৪ কোটি, জানুয়ারি ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারি ২৫৩ কোটি, মার্চ ৩২৯ কোটি, এপ্রিল ২৭৫ কোটি, মে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।