Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

মালয়েশিয়ায় এক বছরে ৯০ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

চলতি বছরে মালয়েশিয়াজুড়ে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে ৯০ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।

 

মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১৩ হাজার ৬৭৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৩ জন বিদেশিকে যাচাই করা হয়, যার মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কার্ডধারী ৫ হাজার ২৯৪ জনও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

 

তিনি জানান, অভিযানে সরাসরি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৭২ জন অবৈধ অভিবাসীকে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তান্তরের মাধ্যমে আরও ৪১ হাজার ৩৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের মধ্যে সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা—১৫ হাজার ৩৮৫ জন। এরপর বাংলাদেশি ১১ হাজার ১০৫ জন, মিয়ানমারের ৯ হাজার ৭৮৯ জন, ফিলিপাইনের ৪ হাজার ৩৬৫ জন, পাকিস্তানের ২ হাজার ৪৯৭ জন, ভারতের ১ হাজার ৬৩০ জন, থাইল্যান্ডের ১ হাজার ৪৯৩ জন, চীনের ১ হাজার ৩৮ জন, ভিয়েতনামের ৯০৯ জন এবং নেপালের ৭৬৯ জন নাগরিক আটক হয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

 

অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে আটক মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন মালয়েশিয়ার স্থানীয় নাগরিক—২ হাজার ১২ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশি ৩৪ জন ও ইন্দোনেশীয় ২১ জন মালিককেও আটক করা হয়েছে। পাকিস্তান, চীন, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের নাগরিক মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্রের অভাব, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবস্থান, এবং কাজের অনুমতির শর্ত লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিদেশি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি বলেন, অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে জড়িত মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় এক বছরে ৯০ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী আটক

আপডেট টাইম : 09:45:09 am, Sunday, 28 December 2025

চলতি বছরে মালয়েশিয়াজুড়ে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে ৯০ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)।

 

মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে জানান, ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১৩ হাজার ৬৭৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪৩ জন বিদেশিকে যাচাই করা হয়, যার মধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর কার্ডধারী ৫ হাজার ২৯৪ জনও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

 

তিনি জানান, অভিযানে সরাসরি গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৭২ জন অবৈধ অভিবাসীকে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তান্তরের মাধ্যমে আরও ৪১ হাজার ৩৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

আটকদের মধ্যে সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা—১৫ হাজার ৩৮৫ জন। এরপর বাংলাদেশি ১১ হাজার ১০৫ জন, মিয়ানমারের ৯ হাজার ৭৮৯ জন, ফিলিপাইনের ৪ হাজার ৩৬৫ জন, পাকিস্তানের ২ হাজার ৪৯৭ জন, ভারতের ১ হাজার ৬৩০ জন, থাইল্যান্ডের ১ হাজার ৪৯৩ জন, চীনের ১ হাজার ৩৮ জন, ভিয়েতনামের ৯০৯ জন এবং নেপালের ৭৬৯ জন নাগরিক আটক হয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক।

 

অন্যদিকে, অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ ও আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে আটক মালিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন মালয়েশিয়ার স্থানীয় নাগরিক—২ হাজার ১২ জন। এ ছাড়া বাংলাদেশি ৩৪ জন ও ইন্দোনেশীয় ২১ জন মালিককেও আটক করা হয়েছে। পাকিস্তান, চীন, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের নাগরিক মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্রের অভাব, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবস্থান, এবং কাজের অনুমতির শর্ত লঙ্ঘনের মতো অভিযোগ রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিদেশি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি বলেন, অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে জড়িত মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে।