Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

মালয়েশিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৭৭ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যে বিশেষ অভিযানে ২৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

 

 

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজ্যের সেরেমবান ও নিলাই এলাকার ১৩টি স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। সকাল ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে মোট ৩৯৫ জন বিদেশিকে যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭৭ জনকে আটক করা হয়।

 

 

নেগেরি সেম্বিলান ইমিগ্রেশনের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং জানান, আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ৭১ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন।

 

 

আটক অভিবাসীদের মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশের ২৬ জন পুরুষ, ভারতের ২৬ জন পুরুষ, পাকিস্তানের ১০ জন পুরুষ, ইন্দোনেশিয়ার তিনজন নারী ও একজন পুরুষ, থাইল্যান্ডের পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী এবং মিয়ানমারের তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

 

 

তিনি জানান, নিলাই এলাকার একটি সাবান উৎপাদন কারখানা থেকে সর্বাধিক ৫৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় সব প্রবেশ ও বহির্গমন পথ বন্ধ রাখা হয়, ফলে কেউ পালিয়ে যেতে পারেনি। পুরো অভিযান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

 

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনসাধারণের অভিযোগ ও এক সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধ মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩-এর আওতায় বিচারযোগ্য।

 

 

আটক সবাইকে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য নেগেরি সেম্বিলানের লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

ইমিগ্রেশন পরিচালক আরও সতর্ক করে বলেন, অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয়দাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানান তিনি।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৭৭ অবৈধ অভিবাসী আটক

আপডেট টাইম : 09:34:27 am, Thursday, 8 January 2026

মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যে বিশেষ অভিযানে ২৬ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

 

 

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজ্যের সেরেমবান ও নিলাই এলাকার ১৩টি স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। সকাল ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত চলা এ অভিযানে মোট ৩৯৫ জন বিদেশিকে যাচাই-বাছাই করা হয়। এর মধ্যে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭৭ জনকে আটক করা হয়।

 

 

নেগেরি সেম্বিলান ইমিগ্রেশনের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং জানান, আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৯ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে ৭১ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী রয়েছেন।

 

 

আটক অভিবাসীদের মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশের ২৬ জন পুরুষ, ভারতের ২৬ জন পুরুষ, পাকিস্তানের ১০ জন পুরুষ, ইন্দোনেশিয়ার তিনজন নারী ও একজন পুরুষ, থাইল্যান্ডের পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী এবং মিয়ানমারের তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

 

 

তিনি জানান, নিলাই এলাকার একটি সাবান উৎপাদন কারখানা থেকে সর্বাধিক ৫৫ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। অভিযানের সময় সব প্রবেশ ও বহির্গমন পথ বন্ধ রাখা হয়, ফলে কেউ পালিয়ে যেতে পারেনি। পুরো অভিযান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

 

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনসাধারণের অভিযোগ ও এক সপ্তাহের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন ভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধ মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন বিধিমালা ১৯৬৩-এর আওতায় বিচারযোগ্য।

 

 

আটক সবাইকে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য নেগেরি সেম্বিলানের লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

 

 

ইমিগ্রেশন পরিচালক আরও সতর্ক করে বলেন, অবৈধ অভিবাসী নিয়োগ বা আশ্রয়দাতা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিরোধে সাধারণ জনগণকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বানও জানান তিনি।