Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

১৮ বাংলাদেশিসহ ২০১ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

১৮ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২০১ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দেশটির জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই বিদেশি বন্দিদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম জোরদার করেছে বিভাগটি।

 

জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসব বিদেশি বন্দিকে প্রত্যাবাসন করা হয়। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন—১৬০ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১৮ জন বাংলাদেশের, ১৩ জন পাকিস্তানের, চারজন কম্বোডিয়ার এবং তিনজন করে ভারত ও সিঙ্গাপুরের নাগরিক।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২) এবং স্টুলাং লাউট ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

 

প্রত্যাবাসনের পর সংশ্লিষ্ট সব বন্দিকে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না।

 

পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হলো বন্দি প্রত্যাবাসন। জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যাতে সাজা শেষ করা বন্দিরা অবৈধভাবে দেশে অবস্থান না করেন এবং ডিটেনশন ডিপোতে অতিরিক্ত বন্দির চাপ সৃষ্টি না হয়।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও জানায়, বন্দিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম—যেমন টিকিট ক্রয়—ডিপোতে অবস্থিত নির্ধারিত সার্ভিস কাউন্টার থেকেই সম্পন্ন করা যায়। এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেই এবং মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

 

প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত তথ্য বা জিজ্ঞাসার জন্য পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর রেকর্ডস ও ট্রান্সফার ইউনিটে (ফোন: ০৭-৬৯৯৩৫৪০) যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান সিস্টেম (এসপিও) ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন কার্যকর ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

১৮ বাংলাদেশিসহ ২০১ প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া

আপডেট টাইম : 10:31:44 pm, Monday, 12 January 2026

১৮ জন বাংলাদেশিসহ মোট ২০১ জন প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দেশটির জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই বিদেশি বন্দিদের প্রত্যাবাসন কার্যক্রম জোরদার করেছে বিভাগটি।

 

জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসব বিদেশি বন্দিকে প্রত্যাবাসন করা হয়। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে রয়েছেন—১৬০ জন ইন্দোনেশিয়ার, ১৮ জন বাংলাদেশের, ১৩ জন পাকিস্তানের, চারজন কম্বোডিয়ার এবং তিনজন করে ভারত ও সিঙ্গাপুরের নাগরিক।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২) এবং স্টুলাং লাউট ফেরি টার্মিনাল ব্যবহার করে তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে।

 

প্রত্যাবাসনের পর সংশ্লিষ্ট সব বন্দিকে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের সিস্টেমে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ করতে পারবেন না।

 

পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর অন্যতম প্রধান কার্যক্রম হলো বন্দি প্রত্যাবাসন। জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ নিয়মিত এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যাতে সাজা শেষ করা বন্দিরা অবৈধভাবে দেশে অবস্থান না করেন এবং ডিটেনশন ডিপোতে অতিরিক্ত বন্দির চাপ সৃষ্টি না হয়।

 

ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও জানায়, বন্দিদের প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম—যেমন টিকিট ক্রয়—ডিপোতে অবস্থিত নির্ধারিত সার্ভিস কাউন্টার থেকেই সম্পন্ন করা যায়। এ ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেই এবং মধ্যস্বত্বভোগী ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

 

প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত তথ্য বা জিজ্ঞাসার জন্য পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর রেকর্ডস ও ট্রান্সফার ইউনিটে (ফোন: ০৭-৬৯৯৩৫৪০) যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান সিস্টেম (এসপিও) ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 

মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন কার্যকর ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ও প্রত্যাবাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জোহর রাজ্য ইমিগ্রেশন বিভাগ।