Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আগ্রহী ইইউ

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বৈঠকটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে বলেন, ইইউ বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। তার ভাষায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, শীর্ষ বিনিয়োগকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী।

 

তিনি বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে ইইউ বাংলাদেশকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়েছে এবং বৈঠকের ফলাফল নিয়ে ইইউ সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে ইইউ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

রাষ্ট্রদূত জানান, বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা, অভিবাসনসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শুরু হওয়া সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

 

বিশেষ করে বিচার বিভাগীয় সংস্কার এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় অগ্রগতিকে ইইউ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানান মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

প্রস্তাবিত পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট (পিসিএ) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলোচনা নিয়মিত এগোচ্ছে এবং চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে রয়েছে। শিগগিরই এতে স্বাক্ষর হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

এ ছাড়া বৈঠকে মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান ইইউ রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের একটি মূল ভিত্তি।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আগ্রহী ইইউ

আপডেট টাইম : 05:35:10 pm, Monday, 23 February 2026

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বৈঠকটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ উল্লেখ করে বলেন, ইইউ বাংলাদেশের একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার। তার ভাষায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, শীর্ষ বিনিয়োগকারী এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী।

 

তিনি বলেন, নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে ইইউ বাংলাদেশকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। এ কারণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা হয়েছে এবং বৈঠকের ফলাফল নিয়ে ইইউ সন্তুষ্ট। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে ইইউ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

রাষ্ট্রদূত জানান, বৈঠকে উন্নয়ন সহযোগিতা, মানবিক সহায়তা, অভিবাসনসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শুরু হওয়া সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।

 

বিশেষ করে বিচার বিভাগীয় সংস্কার এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় অগ্রগতিকে ইইউ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানান মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের সম্ভাবনাকে পূর্ণমাত্রায় কাজে লাগাতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

 

প্রস্তাবিত পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট (পিসিএ) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলোচনা নিয়মিত এগোচ্ছে এবং চুক্তিটি চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে রয়েছে। শিগগিরই এতে স্বাক্ষর হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

এ ছাড়া বৈঠকে মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতার বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান ইইউ রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, মৌলিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের একটি মূল ভিত্তি।