Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে ৩২ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

 

যৌথ অভিবাসন অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ৩২ জনই বাংলাদেশি।

 

বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, গত সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ ও মালয়েশিয়া সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস) যৌথভাবে অংশ নেয়।

 

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও নজরদারির ভিত্তিতে বিদেশিদের পরিচালিত বা বিদেশি কর্মী নিয়োজিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসন আইন মেনে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহার রোধ করা।

 

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়।

 

আটকদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের, তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুজন নেপালের নারী রয়েছেন।

 

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন প্রবিধান ১৯৬৩ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি সাধারণ জনগণকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তার মতে, এ ধরনের সহযোগিতা দেশের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে ৩২ বাংলাদেশি আটক

আপডেট টাইম : 05:28:01 pm, Thursday, 23 July 2026

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

 

যৌথ অভিবাসন অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০৮ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটকদের মধ্যে ৩২ জনই বাংলাদেশি।

 

বুধবার (২২ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, গত সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ ও মালয়েশিয়া সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস) যৌথভাবে অংশ নেয়।

 

তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও নজরদারির ভিত্তিতে বিদেশিদের পরিচালিত বা বিদেশি কর্মী নিয়োজিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অভিবাসন আইন মেনে বিদেশিদের অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাস ও অন্যান্য অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহার রোধ করা।

 

অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সী ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন অপরাধে আটক করা হয়।

 

আটকদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের, তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুজন নেপালের নারী রয়েছেন।

 

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন প্রবিধান ১৯৬৩ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে।

 

তিনি সাধারণ জনগণকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তার মতে, এ ধরনের সহযোগিতা দেশের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।