নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত দেশটির পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী এ সংখ্যা জানা গেছে। তবে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই দিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্যে মৃতের সংখ্যা ছিল ২৮৯। মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন করে আরও ৪৩ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখনো ৯০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিখোঁজদের সন্ধানে নেপাল সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
দুর্যোগের শুরুতে ভূমিকম্পকে বন্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ধারণা করা হলেও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, মূলত হিমবাহের বরফ, পাথর ও মাটির ধস থেকে সৃষ্ট প্রবল স্রোতের কারণেই এই আকস্মিক বন্যা হয়েছে।
প্রবল পানির স্রোত রাসুয়াসহ নেপালের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদী ব্যবস্থার দিকে নেমে যায়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকার বসতি, সড়ক, সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এদিকে নিখোঁজদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও তাদের অবস্থান শনাক্তের কাজও অব্যাহত রয়েছে। দুর্গম এলাকা ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উদ্ধারকারীদের কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 


















