Dhaka , Sunday, 8 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

চট্টগ্রামকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিপিএলে শুভসূচনা রংপুরের

বড় জয় দিয়ে এবারের বিপিএল অভিযান শুরু করেছে রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট হাতে রেখে, এখনও ৫ ওভার বাকি থাকতেই।

রংপুরের জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররা। চট্টগ্রামকে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে রাখে রংপুরের ব্যাটাররা। ডেভিড মালান ও লিটন দাসের ৯১ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ম্যাচ প্রায় একপেশে হয়ে যায়।

 

লিটন দাস হাফসেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে বিদায় নেন। ৩১ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় তার সংগ্রহ ৪৭ রান। এরপর তাওহিদ হৃদয় মাত্র ১ রান করে আউট হন। এই দুই উইকেটই নেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।

 

অন্যদিকে, ধীরস্থির ব্যাটিং করে ৪৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন ডেভিড মালান। দল জয়ের মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে মালান মারেন ৫টি চার ও ২টি ছক্কা। পরে খুশদিল শাহ ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।

 

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুরের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। মাত্র ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় দলটি। অ্যাডাম রশিংটন ১ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন।

 

নাইম শেখ কিছুটা লড়াই করেন। ২০ বলে ৩৯ রান করে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বোল্ড হন তিনি। এর মধ্যেই ৪৬ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারিয়ে বসে চট্টগ্রাম।

 

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। মাহিফজুল আলম (১), গুরবাজ (৯) ও শেখ মাহেদি হাসান (১) আউট হন ফাহিম আশরাফের শিকার হয়ে। ৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে যায় চট্টগ্রাম।

মির্জা বাইগ করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান। তানভীর ইসলাম (৬) ফেরেন সুফিয়ান মুকিমের বলে। শেষদিকে আবু হায়দার রনি ১৩ ও শরিফুল ইসলাম ৬ রান করলেও ইনিংস থামে ১৭.৫ ওভারে ১০২ রানে।

 

রংপুরের হয়ে ফাহিম আশরাফ নেন ৫ উইকেট। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান শিকার করেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট পান নাহিদ রানা, আলিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিপিএলে শুভসূচনা রংপুরের

আপডেট টাইম : 08:42:26 pm, Monday, 29 December 2025

বড় জয় দিয়ে এবারের বিপিএল অভিযান শুরু করেছে রংপুর রাইডার্স। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে তারা হারিয়েছে ৭ উইকেট হাতে রেখে, এখনও ৫ ওভার বাকি থাকতেই।

রংপুরের জয়ের ভিত গড়ে দেন বোলাররা। চট্টগ্রামকে মাত্র ১০২ রানে গুটিয়ে দেওয়ার পর লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে রাখে রংপুরের ব্যাটাররা। ডেভিড মালান ও লিটন দাসের ৯১ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ম্যাচ প্রায় একপেশে হয়ে যায়।

 

লিটন দাস হাফসেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে বিদায় নেন। ৩১ বলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় তার সংগ্রহ ৪৭ রান। এরপর তাওহিদ হৃদয় মাত্র ১ রান করে আউট হন। এই দুই উইকেটই নেন চট্টগ্রামের পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।

 

অন্যদিকে, ধীরস্থির ব্যাটিং করে ৪৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন ডেভিড মালান। দল জয়ের মাত্র ২ রান দূরে থাকতে মাহমুদুল হাসান জয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংসে মালান মারেন ৫টি চার ও ২টি ছক্কা। পরে খুশদিল শাহ ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।

 

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস। রংপুরের বোলিং আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। মাত্র ৩ রানেই প্রথম উইকেট হারায় দলটি। অ্যাডাম রশিংটন ১ রান করে নাহিদ রানার বলে আউট হন।

 

নাইম শেখ কিছুটা লড়াই করেন। ২০ বলে ৩৯ রান করে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিলেও মোস্তাফিজুর রহমানের বলে বোল্ড হন তিনি। এর মধ্যেই ৪৬ রানের মধ্যে তিনটি উইকেট হারিয়ে বসে চট্টগ্রাম।

 

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। মাহিফজুল আলম (১), গুরবাজ (৯) ও শেখ মাহেদি হাসান (১) আউট হন ফাহিম আশরাফের শিকার হয়ে। ৭১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে যায় চট্টগ্রাম।

মির্জা বাইগ করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান। তানভীর ইসলাম (৬) ফেরেন সুফিয়ান মুকিমের বলে। শেষদিকে আবু হায়দার রনি ১৩ ও শরিফুল ইসলাম ৬ রান করলেও ইনিংস থামে ১৭.৫ ওভারে ১০২ রানে।

 

রংপুরের হয়ে ফাহিম আশরাফ নেন ৫ উইকেট। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান শিকার করেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট পান নাহিদ রানা, আলিস আল ইসলাম ও সুফিয়ান মুকিম।