Dhaka , Saturday, 7 November 2026
শিরোনাম :
বৈধ বিদেশযাত্রা হোক সহজ, বন্ধ হোক অযথা হয়রানি বাংলায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রবাসীদের সাবধান করল সৌদি মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং শোকেসে অংশ নিয়েছে প্রাণ মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে হাইকমিশনারের মতবিনিময় ইরাকের নয়া প্রধানমন্ত্রী হলেন শিয়া আল- সুদানি পোস্টাল ভোটিং: প্রবাসীদের নিবন্ধনের সময় ৫ দিন—কোন দেশে কবে শুরু? বাহরাইন প্রবাসীদের জন্য সচেতনতামূলক মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১১, আহত ৩১ লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, নিহতদের সবাই বাংলাদেশি ‘প্রবাসীর ভোট প্রদান সহজ করা না হলে ভোটাধিকার মূল্যহীন’

ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৪ হাজার কোটি টাকা

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৭৯ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) প্রায় ৩৪ হাজার ৬২ কোটি টাকার সমান।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

 

 

তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা থেকে এবার প্রায় ৫১ কোটি ডলার বেশি এসেছে।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবাহ বেড়েছে ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

 

 

এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত।

 

 

গত ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স ছিল। এছাড়া গত নভেম্বরে দেশে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর আগস্ট ও জুলাই মাসে প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

 

 

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

About Author Information

News Update

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৪ হাজার কোটি টাকা

আপডেট টাইম : 11:25:38 pm, Thursday, 26 February 2026

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৫ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৭৯ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) প্রায় ৩৪ হাজার ৬২ কোটি টাকার সমান।

 

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

 

 

তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা থেকে এবার প্রায় ৫১ কোটি ডলার বেশি এসেছে।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ২২২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবাহ বেড়েছে ২১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

 

 

এর আগে জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় হিসেবে বিবেচিত।

 

 

গত ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স ছিল। এছাড়া গত নভেম্বরে দেশে আসে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। আর আগস্ট ও জুলাই মাসে প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

 

 

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।